"মেজর সিনহা হত্যা মামলায় বিভ্রান্তি ছড়ানো বিচার বাধাগ্রস্ত করার একটি সুস্পষ্ট অপচেষ্টা-সাংবাদিক মুক্তাদির রসিদকে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশনের দাবি"
মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের নির্মম হত্যাকাণ্ড নিয়ে যখন পুরো জাতি ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়, তখন সাংবাদিক মুক্তাদির ইচ্ছাকৃতভাবে আদালতের রায় ও বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক মন্তব্য করছেন। আমরা অত্যন্ত দৃঢ়ভাবে জানাচ্ছি, এই ধরনের বক্তব্য গণমানুষের ন্যায়বোধের ওপর আঘাত এবং দণ্ডপ্রাপ্তদের বাঁচানোর প্রকাশ্য প্রয়াস ছাড়া কিছু নয়।
একটি বিচারাধীন, সংবেদনশীল ও আলোচিত মামলাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, আদালতকে অপমান করা এবং জনগণের আস্থা নষ্ট করা এগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের মন্তব্যকে আমরা বিচারপ্রাপ্তি ব্যাহত করার ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছি।
বাংলাদেশের মানুষ জানে, মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ড একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং আদালত সুনির্দিষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে রায় দিয়েছেন। এখন এই রায়কে ঘিরে অযাচিত প্রচার, অপব্যাখ্যা এবং পক্ষপাতমূলক ভাষ্য দিয়ে দণ্ডপ্রাপ্তদের আড়াল করার যে চেষ্টা চলছে, তা নিন্দনীয় এবং রাষ্ট্রবিরোধী।
আমরা এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন স্পষ্ট ও কড়া ভাষায় সতর্ক করছে যে, বিচার ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করার যেকোনো
প্রয়াস সরাসরি আইনের আওতায় আসবে।
দণ্ডপ্রাপ্তদের রক্ষায় বিভ্রান্তি ছড়ানোর সুযোগ আর দেওয়া হবে না।
এক্স-ফোর্সেস এসোসিয়েশন সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছে, বিচার বিভাগকে অপমান করা, জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রতি অবমাননাকর অবস্থান গ্রহণ রাষ্ট্রদোহিতার শামিল এবং সাংবাদিক মুক্তাদির রশিদকে রাষ্ট্রদোহীতার দায়ে আদালতের মুখোমুখি করতে হবে। এই ধরনের রাষ্ট্রদোহিদের বিরুদ্ধে আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হলে ভবিষ্যতে কেউ বিচার ব্যাহত করার সাহস দেখাতে পারবে না।
বাংলাদেশের আদালত স্বাধীন, ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত।
বিচার চলবে আইনের ভিত্তিতে-কোনো চাপ, মতামত বা বিভ্রান্তি নয়।
আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি
মেজর সিনহা হত্যার বিচার কোনোভাবেই থামবে না। যারা অপপ্রচার ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তা প্রেরক

আপনার মতামত লিখুন