ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে রুমিন ফারহানার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধ আঙুল দেখানোর ঘটনা — তথ্যভিত্তিক নিউজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইলে) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর অক ভঙ্গ আচরণ করার অভিযোগের ঘটনায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
আজ (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেল সরাইল উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় রুমিন ফারহানার পক্ষে এক সমাবেশে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে বলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান। আদালত রুমিন ফারহানার পক্ষে এক কর্মীকে ৪০,০০০ টাকা জরিমানা করেন।
এরপর যখন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছিলেন, তখন রুমিন ফারহানা তাকে সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে প্রকাশ্যে বুড়ো আঙুল দেখানোর অভিযোগ আসে। ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সহকারীও কথায় কথায় জড়িয়ে অশোভন আচরণ করেন বলে জানানো হয়েছে।
এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে। সহিংসতা বা অশোভন আচরণ নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী; এই ধরনের আচরণ নির্বাচনের পরিবেশে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন।
রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। গত বছর বিএনপি তাঁকে এই আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়নি, ফলে তিনি নিজ উদ্যোগে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্বেও তার নির্বাচনী প্রচারণায় মঞ্চ ভাঙচুর ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মতো ঘটনা ইতোমধ্যে ঘটেছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
এ ঘটনায় কি কোন আনুষ্ঠানিক বিভাগীয় বা নির্বাচন কমিশনের নোটিশ জারি হয়েছে—সেটি এখনও নিশ্চিতভাবে সামনে আসেনি। তবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নির্বাচনী পরিবেশে নতুন ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে রুমিন ফারহানার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বৃদ্ধ আঙুল দেখানোর ঘটনা — তথ্যভিত্তিক নিউজ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইলে) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ওপর অক ভঙ্গ আচরণ করার অভিযোগের ঘটনায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
আজ (১৭ জানুয়ারি ২০২৬) বিকেল সরাইল উপজেলার ইসলামপুর এলাকায় রুমিন ফারহানার পক্ষে এক সমাবেশে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে বলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান। আদালত রুমিন ফারহানার পক্ষে এক কর্মীকে ৪০,০০০ টাকা জরিমানা করেন।
এরপর যখন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছিলেন, তখন রুমিন ফারহানা তাকে সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে প্রকাশ্যে বুড়ো আঙুল দেখানোর অভিযোগ আসে। ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সহকারীও কথায় কথায় জড়িয়ে অশোভন আচরণ করেন বলে জানানো হয়েছে।
এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে। সহিংসতা বা অশোভন আচরণ নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী; এই ধরনের আচরণ নির্বাচনের পরিবেশে উত্তেজনা বাড়াতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মন্তব্য করেছেন।
রুমিন ফারহানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। গত বছর বিএনপি তাঁকে এই আসনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়নি, ফলে তিনি নিজ উদ্যোগে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেন।
প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্বেও তার নির্বাচনী প্রচারণায় মঞ্চ ভাঙচুর ও সমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের মতো ঘটনা ইতোমধ্যে ঘটেছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
এ ঘটনায় কি কোন আনুষ্ঠানিক বিভাগীয় বা নির্বাচন কমিশনের নোটিশ জারি হয়েছে—সেটি এখনও নিশ্চিতভাবে সামনে আসেনি। তবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ নির্বাচনী পরিবেশে নতুন ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন