ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : শনিবার, ০২ আগস্ট ২০২৫

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

নাসিরনগরে দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রা'সের প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নাসিরনগরে দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রা'সের প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

আদালতের নির্দেশে এফআইআর, তবুও প্রকাশ্যে আসামিরা; প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আতঙ্কে পরিবার।

আদালতের নির্দেশে এফআইআর, তবুও প্রকাশ্যে আসামিরা; প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আতঙ্কে পরিবার।

নোয়াখালীতে বিদেশি ম'দসহ আ'টক ১ ‎

নোয়াখালীতে বিদেশি ম'দসহ আ'টক ১ ‎

জিয়ানগরে বালিপাড়া হাটে ভিটির ইজারা ২৬০ থেকে ৬ হাজার টাকা, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

জিয়ানগরে বালিপাড়া হাটে ভিটির ইজারা ২৬০ থেকে ৬ হাজার টাকা, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু আগামীকাল থেকে

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু আগামীকাল থেকে
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আগামীকাল রবিবার ৩ আগস্ট হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মামলার সূচনা বক্তব্য প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবেন। বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যর ট্রাইব্যুনালের এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করবেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এ বিষয়ে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম বলেন, কাল মামলার সূচনা বক্তব্য, প্রথম সাক্ষী শুরু হবে। কোর্টের অনুমতি সাপেক্ষে বিটিভি সরাসরি সম্প্রচার করবেন। তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের বিধি ১৪ এবং ১৮(৪) অনুযায়ী সাক্ষীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধানকল্পে সকল গণমাধ্যমকে এই মর্মে অনুরোধ করা যাচ্ছে যে, (১) সাক্ষীর ছবি বা ভিডিও ধারণ বা প্রচার করা যাবে না। (২) সাক্ষীর শুধু নাম প্রচার করা যাবে। (৩) সাক্ষীর ঠিকানা প্রকাশ করা যাবে না। গত ১০ জুলাই এ মামলার রাজসাক্ষী হন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। ট্রাইব্যুনালের আদেশে তাকে দোষ স্বীকারের শর্তে ক্ষমার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। গত ১ জুন এই মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। শেখ হাসিনার পাশাপাশি আসামি করা হয় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সহ সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে। প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনেন। পাঁচ অভিযোগ হলো প্রথম অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১৪ জুলাই গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি উল্লেখ করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসাদুজ্জামান খান, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনসহ তৎকালীন সরকারের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্ররোচনা, সহায়তা ও সম্পৃক্ততায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সশস্ত্র আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ব্যাপক মাত্রায় ও পদ্ধতিগতভাবে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর আক্রমণ করেন। গুলি করে দেড় হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হন প্রায় ২৫ হাজার। দ্বিতীয় অভিযোগ, হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মাধ্যমে সেই নির্দেশ কার্যকর করেছেন। গত বছরের ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং ১৮ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে কথা বলেন শেখ হাসিনা। দুজনের সঙ্গে কথোপকথনের পৃথক অডিও রেকর্ড থেকে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোকে মারণাস্ত্র ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। শেখ হাসিনার সেই নির্দেশ তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির মাধ্যমে সব বাহিনীর কাছে দেওয়া হয়। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও তার অন্যান্য অঙ্গসংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের কাছেও এই নির্দেশ যায়। সেই নির্দেশের আলোকে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এর দায়ে তাদের (হাসিনা, আসাদুজ্জামান ও মামুন) বিরুদ্ধে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির (সর্বোচ্চ দায়) আওতায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তৃতীয় অভিযোগ, রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় শেখ হাসিনার পাশাপাশি আসাদুজ্জামান ও মামুনকে অভিযুক্ত করা হয়েছেন। চতুর্থ অভিযোগ, রাজধানীর চানখাঁরপুলে আন্দোলনরত নিরীহ-নিরস্ত্র ছয়জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায়ও শেখ হাসিনার পাশাপাশি ওই দুজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। পঞ্চম অভিযোগ, শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান ও মামুনের বিরুদ্ধে আশুলিয়ায় নিরীহ-নিরস্ত্র ছয়জনকে আগুনে পুড়িয়ে মারার ঘটনায়ও অভিযুক্ত করা হয়েছেন। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে মোট চারটি মামলা হয়েছেন। এর মধ্যে ২ জুলাই আদালত অবমাননার একটি মামলায় তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এটিই প্রথম কোনো মামলা, যেখানে হাসিনার কারাদণ্ড হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু আগামীকাল থেকে

প্রকাশের তারিখ : ০২ আগস্ট ২০২৫

featured Image
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আগামীকাল রবিবার ৩ আগস্ট হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে মামলার সূচনা বক্তব্য প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবেন। বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যর ট্রাইব্যুনালের এই শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করবেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এ বিষয়ে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম বলেন, কাল মামলার সূচনা বক্তব্য, প্রথম সাক্ষী শুরু হবে। কোর্টের অনুমতি সাপেক্ষে বিটিভি সরাসরি সম্প্রচার করবেন। তিনি বলেন, ট্রাইব্যুনালের বিধি ১৪ এবং ১৮(৪) অনুযায়ী সাক্ষীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধানকল্পে সকল গণমাধ্যমকে এই মর্মে অনুরোধ করা যাচ্ছে যে, (১) সাক্ষীর ছবি বা ভিডিও ধারণ বা প্রচার করা যাবে না। (২) সাক্ষীর শুধু নাম প্রচার করা যাবে। (৩) সাক্ষীর ঠিকানা প্রকাশ করা যাবে না। গত ১০ জুলাই এ মামলার রাজসাক্ষী হন চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। ট্রাইব্যুনালের আদেশে তাকে দোষ স্বীকারের শর্তে ক্ষমার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। গত ১ জুন এই মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। শেখ হাসিনার পাশাপাশি আসামি করা হয় তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সহ সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে। প্রসিকিউশন তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনেন। পাঁচ অভিযোগ হলো প্রথম অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ১৪ জুলাই গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি উল্লেখ করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। এর পরিপ্রেক্ষিতে আসাদুজ্জামান খান, চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনসহ তৎকালীন সরকারের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্ররোচনা, সহায়তা ও সম্পৃক্ততায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সশস্ত্র আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ব্যাপক মাত্রায় ও পদ্ধতিগতভাবে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর আক্রমণ করেন। গুলি করে দেড় হাজার ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়। আহত হন প্রায় ২৫ হাজার। দ্বিতীয় অভিযোগ, হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপি তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মাধ্যমে সেই নির্দেশ কার্যকর করেছেন। গত বছরের ১৪ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল এবং ১৮ জুলাই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে কথা বলেন শেখ হাসিনা। দুজনের সঙ্গে কথোপকথনের পৃথক অডিও রেকর্ড থেকে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট বাহিনীগুলোকে মারণাস্ত্র ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। শেখ হাসিনার সেই নির্দেশ তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আইজিপির মাধ্যমে সব বাহিনীর কাছে দেওয়া হয়। পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও তার অন্যান্য অঙ্গসংগঠন এবং ১৪ দলীয় জোটের কাছেও এই নির্দেশ যায়। সেই নির্দেশের আলোকে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এর দায়ে তাদের (হাসিনা, আসাদুজ্জামান ও মামুন) বিরুদ্ধে সুপিরিয়র রেসপনসিবিলিটির (সর্বোচ্চ দায়) আওতায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে তৃতীয় অভিযোগ, রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় শেখ হাসিনার পাশাপাশি আসাদুজ্জামান ও মামুনকে অভিযুক্ত করা হয়েছেন। চতুর্থ অভিযোগ, রাজধানীর চানখাঁরপুলে আন্দোলনরত নিরীহ-নিরস্ত্র ছয়জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায়ও শেখ হাসিনার পাশাপাশি ওই দুজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। পঞ্চম অভিযোগ, শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান ও মামুনের বিরুদ্ধে আশুলিয়ায় নিরীহ-নিরস্ত্র ছয়জনকে আগুনে পুড়িয়ে মারার ঘটনায়ও অভিযুক্ত করা হয়েছেন। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে মোট চারটি মামলা হয়েছেন। এর মধ্যে ২ জুলাই আদালত অবমাননার একটি মামলায় তাকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এটিই প্রথম কোনো মামলা, যেখানে হাসিনার কারাদণ্ড হয়েছে।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল