ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালে চলমান সহিংস বিক্ষোভের সুযোগে কারাগার থেকে পালিয়েছেন

নেপালে চলমান সহিংস বিক্ষোভের সুযোগে কারাগার থেকে পালিয়েছেন
নেপালে চলমান সহিংস বিক্ষোভের সুযোগে কারাগার থেকে পালিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় কুমার শাহ। ২০১২ সালে বোমা হামলা ও হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এ নেতা ললিতপুর জেলার নাক্কু কারাগারে বন্দি ছিলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তথ্যমতে, শুধু শাহ নন, আরও কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক বন্দিও এ সময় পালিয়ে গেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন নেপালের চতুর্থ বৃহত্তম রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি-এর সভাপতি রবি লামিচানেও। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রামসহ মোট ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও দীর্ঘদিনের দুর্নীতির প্রতিবাদে শিক্ষার্থী ও তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়। মাত্র দুই দিনের মধ্যেই এই বিক্ষোভ ভয়াবহ রূপ নেয় এবং শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা অলির নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটে। ৮ সেপ্টেম্বর আন্দোলন দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১৯ জন নিহত ও শতাধিক আহত হন। পরদিন পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষুব্ধরা সংসদ ভবন, মন্ত্রী-এমপিদের বাসভবনসহ বহু সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়। অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে কারাগারগুলোতেও। বন্দিরা বিদ্রোহ শুরু করলে ফটক ভেঙে পালিয়ে যায় বহু কয়েদি। এদের সঙ্গেই বেরিয়ে যান সঞ্জয় কুমার শাহ। জনকপুর জেলার এই সাবেক সংসদ সদস্য ও সদ্ভাবনা পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা প্রথমবার ২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদে প্রবেশ করেন। কিন্তু ২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল জনকপুরের রামানন্দ চক এলাকায় ভয়াবহ বোমা হামলায় পাঁচজন নিহত হওয়ার ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া সাংবাদিক অরুন সিংহানিয়া হত্যার ষড়যন্ত্রকারী হিসেবেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল।   ২০১৩ সাল থেকে কারাগারে কাটাচ্ছিলেন শাহ। প্রায় ১২ বছরেরও বেশি সময় বন্দি থাকার পর এবার ভয়াবহ রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে তিনি মুক্ত হয়ে গেলেন।   অবশেষে তীব্র গণআন্দোলনের চাপে মঙ্গলবার দুপুরে পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা অলি। মাত্র এক বছরের মাথায় পতন ঘটে তার সরকারের

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬


নেপালে চলমান সহিংস বিক্ষোভের সুযোগে কারাগার থেকে পালিয়েছেন

প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
নেপালে চলমান সহিংস বিক্ষোভের সুযোগে কারাগার থেকে পালিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় কুমার শাহ। ২০১২ সালে বোমা হামলা ও হত্যার দায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এ নেতা ললিতপুর জেলার নাক্কু কারাগারে বন্দি ছিলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির তথ্যমতে, শুধু শাহ নন, আরও কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক বন্দিও এ সময় পালিয়ে গেছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন নেপালের চতুর্থ বৃহত্তম রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি-এর সভাপতি রবি লামিচানেও। ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রামসহ মোট ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও দীর্ঘদিনের দুর্নীতির প্রতিবাদে শিক্ষার্থী ও তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলন শুরু হয়। মাত্র দুই দিনের মধ্যেই এই বিক্ষোভ ভয়াবহ রূপ নেয় এবং শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা অলির নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন ঘটে। ৮ সেপ্টেম্বর আন্দোলন দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ১৯ জন নিহত ও শতাধিক আহত হন। পরদিন পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষুব্ধরা সংসদ ভবন, মন্ত্রী-এমপিদের বাসভবনসহ বহু সরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়। অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে কারাগারগুলোতেও। বন্দিরা বিদ্রোহ শুরু করলে ফটক ভেঙে পালিয়ে যায় বহু কয়েদি। এদের সঙ্গেই বেরিয়ে যান সঞ্জয় কুমার শাহ। জনকপুর জেলার এই সাবেক সংসদ সদস্য ও সদ্ভাবনা পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতা প্রথমবার ২০০৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদে প্রবেশ করেন। কিন্তু ২০১২ সালের ৩০ এপ্রিল জনকপুরের রামানন্দ চক এলাকায় ভয়াবহ বোমা হামলায় পাঁচজন নিহত হওয়ার ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া সাংবাদিক অরুন সিংহানিয়া হত্যার ষড়যন্ত্রকারী হিসেবেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল।   ২০১৩ সাল থেকে কারাগারে কাটাচ্ছিলেন শাহ। প্রায় ১২ বছরেরও বেশি সময় বন্দি থাকার পর এবার ভয়াবহ রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে তিনি মুক্ত হয়ে গেলেন।   অবশেষে তীব্র গণআন্দোলনের চাপে মঙ্গলবার দুপুরে পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা অলি। মাত্র এক বছরের মাথায় পতন ঘটে তার সরকারের

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল