ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

জিয়ানগরে ফ্যামিলি কার্ডের জরিপ সংক্রান্ত দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

জিয়ানগরে ফ্যামিলি কার্ডের জরিপ সংক্রান্ত দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

জিয়ানগরে ফ্যামিলি কার্ডের জরিপ সংক্রান্ত দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

জিয়ানগরে ফ্যামিলি কার্ডের জরিপ সংক্রান্ত দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

জিয়ানগরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও সভা

জিয়ানগরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে র‍্যালী ও সভা

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

শেখ হাসিনার দীর্ঘ ক্ষমতাকালে বাংলাদেশ থেকে বিপুল অর্থ পাচারের নানা তথ্য সামনে আসছে।

শেখ হাসিনার দীর্ঘ ক্ষমতাকালে বাংলাদেশ থেকে বিপুল অর্থ পাচারের নানা তথ্য সামনে আসছে।
শেখ হাসিনার দীর্ঘ ক্ষমতাকালে বাংলাদেশ থেকে বিপুল অর্থ পাচারের নানা তথ্য সামনে আসছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনুসন্ধানে এ অর্থপাচারের গন্তব্যও চিহ্নিত হয়েছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—এই অর্থ ফেরত আনার পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হচ্ছে? অভিযোগ রয়েছে, ইতোমধ্যেই বিদেশে পাচারকৃত অর্থে গড়ে তোলা সম্পদের কিছু অংশ বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। ফলে আলোচনায় এসেছে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আসলেই কি সেই লুট হওয়া অর্থ উদ্ধার করতে সক্ষম হবে? সম্প্রতি লন্ডনভিত্তিক প্রভাবশালী দৈনিক ফিনান্সিয়াল টাইমস একটি তথ্যচিত্র প্রকাশ করেছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনার টানা ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার—বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৮ লাখ ৫৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতিবছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে গেছে। মূলত ওভার-ইনভয়েসিং, আন্ডার-ইনভয়েসিং এবং হুন্ডি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই অর্থ পাচার হয়। এর বড় অংশই গিয়েছে যুক্তরাজ্যে, বিশেষ করে লন্ডনের আর্থিক খাত ও রিয়েল এস্টেট বাজারে বিনিয়োগ হিসেবে। তথ্যচিত্রে শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা ও তার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের নামও উঠে এসেছে। টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির এমপি এবং একসময় মন্ত্রী ছিলেন। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্নীতির অভিযোগে একটি মামলার পর তাকে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে অবকাঠামো প্রকল্প থেকে অর্থ আত্মসাত এবং ঢাকায় সরকারি জমি দখলের মামলাও চলছে। এ বিষয়ে টিউলিপ সিদ্দিক তথ্যচিত্রে বলেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। আমাকে হয়রানি ছাড়া এর পেছনে অন্য কিছু নেই। আমি কোনো অনিয়ম করেছি—এমন প্রমাণ কারও হাতে নেই।” অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর নামে প্রায় ৩০০টিরও বেশি সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ অপরাধ দমন সংস্থা ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) ইতোমধ্যেই এর মধ্যে প্রায় সাড়ে তিনশ সম্পত্তি জব্দ করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ আছে। তৎকালীন শাসনামলে গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় দেশের ব্যাংকগুলো নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়—এমনও অভিযোগ উঠেছে। অস্ত্রের মুখে অনেক পরিচালককে পদত্যাগে বাধ্য করে ভুয়া ঋণের মাধ্যমে বিপুল অর্থ বিদেশে পাচারের ঘটনা ঘটে। ইসলামী ব্যাংকের সাবেক এমডি মুহাম্মদ আবদুল মান্নান তার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমাকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। ২০১৭ সালের প্রথম বোর্ড মিটিং হওয়ার কথা থাকলেও হঠাৎ জানানো হয় বোর্ডরুম নিরাপদ নয়। আমাকে ডিজিএফআই সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানকার প্রধান জেনারেল আকবর জানান, ‘সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ চান আমি পদত্যাগ করি।’ ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদকের প্রশ্ন ছিল—‘সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ বলতে কাকে বোঝাচ্ছেন?’ আমি তখনই বলেছিলাম—তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকেই।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


শেখ হাসিনার দীর্ঘ ক্ষমতাকালে বাংলাদেশ থেকে বিপুল অর্থ পাচারের নানা তথ্য সামনে আসছে।

প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
শেখ হাসিনার দীর্ঘ ক্ষমতাকালে বাংলাদেশ থেকে বিপুল অর্থ পাচারের নানা তথ্য সামনে আসছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অনুসন্ধানে এ অর্থপাচারের গন্তব্যও চিহ্নিত হয়েছে। তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—এই অর্থ ফেরত আনার পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হচ্ছে? অভিযোগ রয়েছে, ইতোমধ্যেই বিদেশে পাচারকৃত অর্থে গড়ে তোলা সম্পদের কিছু অংশ বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। ফলে আলোচনায় এসেছে, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আসলেই কি সেই লুট হওয়া অর্থ উদ্ধার করতে সক্ষম হবে? সম্প্রতি লন্ডনভিত্তিক প্রভাবশালী দৈনিক ফিনান্সিয়াল টাইমস একটি তথ্যচিত্র প্রকাশ করেছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনার টানা ১৫ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশ থেকে প্রায় ২৩৪ বিলিয়ন ডলার—বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৮ লাখ ৫৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা পাচার হয়েছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতিবছর প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে চলে গেছে। মূলত ওভার-ইনভয়েসিং, আন্ডার-ইনভয়েসিং এবং হুন্ডি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই অর্থ পাচার হয়। এর বড় অংশই গিয়েছে যুক্তরাজ্যে, বিশেষ করে লন্ডনের আর্থিক খাত ও রিয়েল এস্টেট বাজারে বিনিয়োগ হিসেবে। তথ্যচিত্রে শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা ও তার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকের নামও উঠে এসেছে। টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির এমপি এবং একসময় মন্ত্রী ছিলেন। তবে প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্নীতির অভিযোগে একটি মামলার পর তাকে মন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে অবকাঠামো প্রকল্প থেকে অর্থ আত্মসাত এবং ঢাকায় সরকারি জমি দখলের মামলাও চলছে। এ বিষয়ে টিউলিপ সিদ্দিক তথ্যচিত্রে বলেন, ‘‘আমার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। আমাকে হয়রানি ছাড়া এর পেছনে অন্য কিছু নেই। আমি কোনো অনিয়ম করেছি—এমন প্রমাণ কারও হাতে নেই।” অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর নামে প্রায় ৩০০টিরও বেশি সম্পত্তির খোঁজ পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ অপরাধ দমন সংস্থা ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি (এনসিএ) ইতোমধ্যেই এর মধ্যে প্রায় সাড়ে তিনশ সম্পত্তি জব্দ করেছে বলে অভিযোগে উল্লেখ আছে। তৎকালীন শাসনামলে গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় দেশের ব্যাংকগুলো নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়—এমনও অভিযোগ উঠেছে। অস্ত্রের মুখে অনেক পরিচালককে পদত্যাগে বাধ্য করে ভুয়া ঋণের মাধ্যমে বিপুল অর্থ বিদেশে পাচারের ঘটনা ঘটে। ইসলামী ব্যাংকের সাবেক এমডি মুহাম্মদ আবদুল মান্নান তার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে বলেন, “আমাকে জোরপূর্বক পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছিল। ২০১৭ সালের প্রথম বোর্ড মিটিং হওয়ার কথা থাকলেও হঠাৎ জানানো হয় বোর্ডরুম নিরাপদ নয়। আমাকে ডিজিএফআই সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানকার প্রধান জেনারেল আকবর জানান, ‘সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ চান আমি পদত্যাগ করি।’ ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদকের প্রশ্ন ছিল—‘সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ বলতে কাকে বোঝাচ্ছেন?’ আমি তখনই বলেছিলাম—তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকেই।”

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল