ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

নাসিরনগরে দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রা'সের প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নাসিরনগরে দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রা'সের প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

আদালতের নির্দেশে এফআইআর, তবুও প্রকাশ্যে আসামিরা; প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আতঙ্কে পরিবার।

আদালতের নির্দেশে এফআইআর, তবুও প্রকাশ্যে আসামিরা; প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আতঙ্কে পরিবার।

নোয়াখালীতে বিদেশি ম'দসহ আ'টক ১ ‎

নোয়াখালীতে বিদেশি ম'দসহ আ'টক ১ ‎

জিয়ানগরে বালিপাড়া হাটে ভিটির ইজারা ২৬০ থেকে ৬ হাজার টাকা, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

জিয়ানগরে বালিপাড়া হাটে ভিটির ইজারা ২৬০ থেকে ৬ হাজার টাকা, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

নিউইয়র্কে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের একটি হোটেলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দিদারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে তার ও সফরসঙ্গীদের সঙ্গে ছবি তোলেন। সাক্ষাৎকালে বন্দুক হামলায় নিহত দিদারুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ড. ইউনূস। তিনি পরিবারের হাতে সম্মাননা স্বরূপ একটি ক্রেস্টও তুলে দেন। এসময় তিনি বলেন, “সংবাদে ঘটনাটি পড়ে আমি মর্মাহত হয়েছিলাম। টেলিভিশনে দেখেছি তাঁর শেষ বিদায়ে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেছিলেন। সেটা প্রমাণ করে দিদারুল কতটা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন। নিউইয়র্ক সফরে এসে আপনাদের সঙ্গে দেখা করা আমাদের কাছে অত্যন্ত জরুরি মনে হয়েছে।” পরিবারের সদস্যরা জানান, দিদারুল ইসলাম ২০২১ সালে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেন এবং ব্রঙ্কসের ৪৭ নম্বর প্রিসিঙ্কটে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সততা ও নিষ্ঠার জন্য তিনি সহকর্মীদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। তাঁর দুই ছেলে রয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত দিদারুল ইসলামের বাবা মোহাম্মদ আবদুর রব, মা মিনারা বেগম, দুই ছেলে আয়হান ও আজহান, ভাই কামরুল হাসান, ভাতিজা আদিয়ান হাসান, বোন নাদিমা বেগম এবং চাচা আহমেদ জামাল উদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা। প্রসঙ্গত, গত ২৮ জুলাই ম্যানহাটানের পার্ক অ্যাভিনিউয়ে এক বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন দিদারুল ইসলাম। হামলাকারী বহুতল ভবনে ঢুকে গুলি চালায় এবং পরবর্তীতে আত্মহত্যা করে। কর্তব্যরত অবস্থায় হামলাকারীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে দিদারুল শহীদ হন। পরিবার জানায়, তাঁর দেহে আট থেকে দশটি বুলেটের চিহ্ন ছিল। উল্লেখ্য, ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিউইয়র্কে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ৬ জন উপদেষ্টা এবং বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ।

নিউইয়র্কে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ    বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।    স্থানীয় সময় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের একটি হোটেলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দিদারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে তার ও সফরসঙ্গীদের সঙ্গে ছবি তোলেন।    সাক্ষাৎকালে বন্দুক হামলায় নিহত দিদারুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ড. ইউনূস। তিনি পরিবারের হাতে সম্মাননা স্বরূপ একটি ক্রেস্টও তুলে দেন। এসময় তিনি বলেন, “সংবাদে ঘটনাটি পড়ে আমি মর্মাহত হয়েছিলাম। টেলিভিশনে দেখেছি তাঁর শেষ বিদায়ে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেছিলেন। সেটা প্রমাণ করে দিদারুল কতটা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন। নিউইয়র্ক সফরে এসে আপনাদের সঙ্গে দেখা করা আমাদের কাছে অত্যন্ত জরুরি মনে হয়েছে।”    পরিবারের সদস্যরা জানান, দিদারুল ইসলাম ২০২১ সালে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেন এবং ব্রঙ্কসের ৪৭ নম্বর প্রিসিঙ্কটে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সততা ও নিষ্ঠার জন্য তিনি সহকর্মীদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। তাঁর দুই ছেলে রয়েছে।    এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত দিদারুল ইসলামের বাবা মোহাম্মদ আবদুর রব, মা মিনারা বেগম, দুই ছেলে আয়হান ও আজহান, ভাই কামরুল হাসান, ভাতিজা আদিয়ান হাসান, বোন নাদিমা বেগম এবং চাচা আহমেদ জামাল উদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা।    প্রসঙ্গত, গত ২৮ জুলাই ম্যানহাটানের পার্ক অ্যাভিনিউয়ে এক বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন দিদারুল ইসলাম। হামলাকারী বহুতল ভবনে ঢুকে গুলি চালায় এবং পরবর্তীতে আত্মহত্যা করে। কর্তব্যরত অবস্থায় হামলাকারীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে দিদারুল শহীদ হন। পরিবার জানায়, তাঁর দেহে আট থেকে দশটি বুলেটের চিহ্ন ছিল।    উল্লেখ্য, ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিউইয়র্কে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ৬ জন উপদেষ্টা এবং বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ।
নিউইয়র্কে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের একটি হোটেলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দিদারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে তার ও সফরসঙ্গীদের সঙ্গে ছবি তোলেন। সাক্ষাৎকালে বন্দুক হামলায় নিহত দিদারুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ড. ইউনূস। তিনি পরিবারের হাতে সম্মাননা স্বরূপ একটি ক্রেস্টও তুলে দেন। এসময় তিনি বলেন, “সংবাদে ঘটনাটি পড়ে আমি মর্মাহত হয়েছিলাম। টেলিভিশনে দেখেছি তাঁর শেষ বিদায়ে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেছিলেন। সেটা প্রমাণ করে দিদারুল কতটা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন। নিউইয়র্ক সফরে এসে আপনাদের সঙ্গে দেখা করা আমাদের কাছে অত্যন্ত জরুরি মনে হয়েছে।” পরিবারের সদস্যরা জানান, দিদারুল ইসলাম ২০২১ সালে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেন এবং ব্রঙ্কসের ৪৭ নম্বর প্রিসিঙ্কটে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সততা ও নিষ্ঠার জন্য তিনি সহকর্মীদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। তাঁর দুই ছেলে রয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত দিদারুল ইসলামের বাবা মোহাম্মদ আবদুর রব, মা মিনারা বেগম, দুই ছেলে আয়হান ও আজহান, ভাই কামরুল হাসান, ভাতিজা আদিয়ান হাসান, বোন নাদিমা বেগম এবং চাচা আহমেদ জামাল উদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা। প্রসঙ্গত, গত ২৮ জুলাই ম্যানহাটানের পার্ক অ্যাভিনিউয়ে এক বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন দিদারুল ইসলাম। হামলাকারী বহুতল ভবনে ঢুকে গুলি চালায় এবং পরবর্তীতে আত্মহত্যা করে। কর্তব্যরত অবস্থায় হামলাকারীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে দিদারুল শহীদ হন। পরিবার জানায়, তাঁর দেহে আট থেকে দশটি বুলেটের চিহ্ন ছিল।   উল্লেখ্য, ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিউইয়র্কে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ৬ জন উপদেষ্টা এবং বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ।   বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।   স্থানীয় সময় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের একটি হোটেলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দিদারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে তার ও সফরসঙ্গীদের সঙ্গে ছবি তোলেন।   সাক্ষাৎকালে বন্দুক হামলায় নিহত দিদারুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ড. ইউনূস। তিনি পরিবারের হাতে সম্মাননা স্বরূপ একটি ক্রেস্টও তুলে দেন। এসময় তিনি বলেন, “সংবাদে ঘটনাটি পড়ে আমি মর্মাহত হয়েছিলাম। টেলিভিশনে দেখেছি তাঁর শেষ বিদায়ে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেছিলেন। সেটা প্রমাণ করে দিদারুল কতটা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন। নিউইয়র্ক সফরে এসে আপনাদের সঙ্গে দেখা করা আমাদের কাছে অত্যন্ত জরুরি মনে হয়েছে।”   পরিবারের সদস্যরা জানান, দিদারুল ইসলাম ২০২১ সালে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেন এবং ব্রঙ্কসের ৪৭ নম্বর প্রিসিঙ্কটে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সততা ও নিষ্ঠার জন্য তিনি সহকর্মীদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। তাঁর দুই ছেলে রয়েছে।   এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত দিদারুল ইসলামের বাবা মোহাম্মদ আবদুর রব, মা মিনারা বেগম, দুই ছেলে আয়হান ও আজহান, ভাই কামরুল হাসান, ভাতিজা আদিয়ান হাসান, বোন নাদিমা বেগম এবং চাচা আহমেদ জামাল উদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা।   প্রসঙ্গত, গত ২৮ জুলাই ম্যানহাটানের পার্ক অ্যাভিনিউয়ে এক বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন দিদারুল ইসলাম। হামলাকারী বহুতল ভবনে ঢুকে গুলি চালায় এবং পরবর্তীতে আত্মহত্যা করে। কর্তব্যরত অবস্থায় হামলাকারীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে দিদারুল শহীদ হন। পরিবার জানায়, তাঁর দেহে আট থেকে দশটি বুলেটের চিহ্ন ছিল।   উল্লেখ্য, ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিউইয়র্কে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ৬ জন উপদেষ্টা এবং বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


নিউইয়র্কে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের একটি হোটেলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দিদারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে তার ও সফরসঙ্গীদের সঙ্গে ছবি তোলেন। সাক্ষাৎকালে বন্দুক হামলায় নিহত দিদারুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ড. ইউনূস। তিনি পরিবারের হাতে সম্মাননা স্বরূপ একটি ক্রেস্টও তুলে দেন। এসময় তিনি বলেন, “সংবাদে ঘটনাটি পড়ে আমি মর্মাহত হয়েছিলাম। টেলিভিশনে দেখেছি তাঁর শেষ বিদায়ে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেছিলেন। সেটা প্রমাণ করে দিদারুল কতটা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন। নিউইয়র্ক সফরে এসে আপনাদের সঙ্গে দেখা করা আমাদের কাছে অত্যন্ত জরুরি মনে হয়েছে।” পরিবারের সদস্যরা জানান, দিদারুল ইসলাম ২০২১ সালে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেন এবং ব্রঙ্কসের ৪৭ নম্বর প্রিসিঙ্কটে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সততা ও নিষ্ঠার জন্য তিনি সহকর্মীদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। তাঁর দুই ছেলে রয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত দিদারুল ইসলামের বাবা মোহাম্মদ আবদুর রব, মা মিনারা বেগম, দুই ছেলে আয়হান ও আজহান, ভাই কামরুল হাসান, ভাতিজা আদিয়ান হাসান, বোন নাদিমা বেগম এবং চাচা আহমেদ জামাল উদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা। প্রসঙ্গত, গত ২৮ জুলাই ম্যানহাটানের পার্ক অ্যাভিনিউয়ে এক বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন দিদারুল ইসলাম। হামলাকারী বহুতল ভবনে ঢুকে গুলি চালায় এবং পরবর্তীতে আত্মহত্যা করে। কর্তব্যরত অবস্থায় হামলাকারীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে দিদারুল শহীদ হন। পরিবার জানায়, তাঁর দেহে আট থেকে দশটি বুলেটের চিহ্ন ছিল। উল্লেখ্য, ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিউইয়র্কে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ৬ জন উপদেষ্টা এবং বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ।

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
নিউইয়র্কে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবারের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সাক্ষাৎ বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের একটি হোটেলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দিদারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে তার ও সফরসঙ্গীদের সঙ্গে ছবি তোলেন। সাক্ষাৎকালে বন্দুক হামলায় নিহত দিদারুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ড. ইউনূস। তিনি পরিবারের হাতে সম্মাননা স্বরূপ একটি ক্রেস্টও তুলে দেন। এসময় তিনি বলেন, “সংবাদে ঘটনাটি পড়ে আমি মর্মাহত হয়েছিলাম। টেলিভিশনে দেখেছি তাঁর শেষ বিদায়ে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেছিলেন। সেটা প্রমাণ করে দিদারুল কতটা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন। নিউইয়র্ক সফরে এসে আপনাদের সঙ্গে দেখা করা আমাদের কাছে অত্যন্ত জরুরি মনে হয়েছে।” পরিবারের সদস্যরা জানান, দিদারুল ইসলাম ২০২১ সালে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেন এবং ব্রঙ্কসের ৪৭ নম্বর প্রিসিঙ্কটে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সততা ও নিষ্ঠার জন্য তিনি সহকর্মীদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। তাঁর দুই ছেলে রয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত দিদারুল ইসলামের বাবা মোহাম্মদ আবদুর রব, মা মিনারা বেগম, দুই ছেলে আয়হান ও আজহান, ভাই কামরুল হাসান, ভাতিজা আদিয়ান হাসান, বোন নাদিমা বেগম এবং চাচা আহমেদ জামাল উদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা। প্রসঙ্গত, গত ২৮ জুলাই ম্যানহাটানের পার্ক অ্যাভিনিউয়ে এক বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন দিদারুল ইসলাম। হামলাকারী বহুতল ভবনে ঢুকে গুলি চালায় এবং পরবর্তীতে আত্মহত্যা করে। কর্তব্যরত অবস্থায় হামলাকারীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে দিদারুল শহীদ হন। পরিবার জানায়, তাঁর দেহে আট থেকে দশটি বুলেটের চিহ্ন ছিল।   উল্লেখ্য, ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিউইয়র্কে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ৬ জন উপদেষ্টা এবং বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ।   বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের পরিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।   স্থানীয় সময় সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের একটি হোটেলে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দিদারুল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেন এবং পরে তার ও সফরসঙ্গীদের সঙ্গে ছবি তোলেন।   সাক্ষাৎকালে বন্দুক হামলায় নিহত দিদারুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ড. ইউনূস। তিনি পরিবারের হাতে সম্মাননা স্বরূপ একটি ক্রেস্টও তুলে দেন। এসময় তিনি বলেন, “সংবাদে ঘটনাটি পড়ে আমি মর্মাহত হয়েছিলাম। টেলিভিশনে দেখেছি তাঁর শেষ বিদায়ে অসংখ্য মানুষ ভিড় করেছিলেন। সেটা প্রমাণ করে দিদারুল কতটা ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন। নিউইয়র্ক সফরে এসে আপনাদের সঙ্গে দেখা করা আমাদের কাছে অত্যন্ত জরুরি মনে হয়েছে।”   পরিবারের সদস্যরা জানান, দিদারুল ইসলাম ২০২১ সালে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে যোগ দেন এবং ব্রঙ্কসের ৪৭ নম্বর প্রিসিঙ্কটে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সততা ও নিষ্ঠার জন্য তিনি সহকর্মীদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। তাঁর দুই ছেলে রয়েছে।   এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত দিদারুল ইসলামের বাবা মোহাম্মদ আবদুর রব, মা মিনারা বেগম, দুই ছেলে আয়হান ও আজহান, ভাই কামরুল হাসান, ভাতিজা আদিয়ান হাসান, বোন নাদিমা বেগম এবং চাচা আহমেদ জামাল উদ্দিন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গীদের মধ্যে ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা।   প্রসঙ্গত, গত ২৮ জুলাই ম্যানহাটানের পার্ক অ্যাভিনিউয়ে এক বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন দিদারুল ইসলাম। হামলাকারী বহুতল ভবনে ঢুকে গুলি চালায় এবং পরবর্তীতে আত্মহত্যা করে। কর্তব্যরত অবস্থায় হামলাকারীকে প্রতিহত করার চেষ্টা করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে দিদারুল শহীদ হন। পরিবার জানায়, তাঁর দেহে আট থেকে দশটি বুলেটের চিহ্ন ছিল।   উল্লেখ্য, ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে যোগ দিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিউইয়র্কে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের ৬ জন উপদেষ্টা এবং বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল