ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

নাসিরনগরে দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রা'সের প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নাসিরনগরে দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রা'সের প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

আদালতের নির্দেশে এফআইআর, তবুও প্রকাশ্যে আসামিরা; প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আতঙ্কে পরিবার।

আদালতের নির্দেশে এফআইআর, তবুও প্রকাশ্যে আসামিরা; প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আতঙ্কে পরিবার।

নোয়াখালীতে বিদেশি ম'দসহ আ'টক ১ ‎

নোয়াখালীতে বিদেশি ম'দসহ আ'টক ১ ‎

জিয়ানগরে বালিপাড়া হাটে ভিটির ইজারা ২৬০ থেকে ৬ হাজার টাকা, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

জিয়ানগরে বালিপাড়া হাটে ভিটির ইজারা ২৬০ থেকে ৬ হাজার টাকা, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

পিআর–শাপলা ছাড়া নির্বাচন ঠেকানোর হুঁশিয়ারি বিপজ্জনক: সাকি

পিআর–শাপলা ছাড়া নির্বাচন ঠেকানোর হুঁশিয়ারি বিপজ্জনক: সাকি
পিআর–শাপলা ছাড়া নির্বাচন ঠেকানোর হুঁশিয়ারি বিপজ্জনক: সাকি বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে সময় সংবাদের সম্পাদকীয় আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সাকি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল এমন ভাষা ব্যবহার করছে যেন তাদের দাবি না মানা হলে নির্বাচনই সম্ভব নয়। “আমি এটা না হলে করব না” বা “আমার প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হতে দিই না”—এই মনোভাব ইতিবাচক বা গণতান্ত্রিক কোনো অবস্থান নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, জামায়াতে ইসলামী নিম্নকক্ষে পিআর দাবি করতে পারে, তারা সেটা সামনে এনে জনমত তৈরি করছে—এ অধিকার তাদের আছে। কিন্তু “পিআর না হলে নির্বাচন হবে না” এই অবস্থান দায়িত্বশীল নয়। এর মাধ্যমে শক্তি পরীক্ষার পথ বেছে নেওয়া হয়, যা সরাসরি সংঘাতকে আমন্ত্রণ জানায়। একইভাবে কেউ যদি বলে “শাপলা প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হবে না”—সেটাও অগণতান্ত্রিক ও উসকানিমূলক বক্তব্য। সাকি স্মরণ করিয়ে দেন, অভ্যুত্থান কোনো একক শক্তির নেতৃত্বে হয়নি; তাই এখন শক্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা সংঘাতকেই ত্বরান্বিত করবে। তিনি বলেন, “প্রথম ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে আমরা ঠিক করেছিলাম—যে বিষয়ে ঐকমত্য হবে না, তা জনগণই নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারণ করবে। কিন্তু এখন সেটা বাদ দিয়ে যদি শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে সমাধান খোঁজা হয়, তাহলে সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে উঠবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা উত্তরণের পথ দেখব কি শক্তি পরীক্ষার মাধ্যমে, নাকি জনগণের রায়ের ওপর ছেড়ে দেবো? জনগণ যাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে, সেটিই গণতান্ত্রিকভাবে মেনে নিতে হবে।” আর্টিকেল ৭০ ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ৪টি ব্যতিক্রমের (একসেপশন) প্রস্তাব তোলা হয়েছিল। প্রথম দুইটিতে সবাই একমত হলেও বিএনপি আরও দুইটি যুক্ত করার প্রস্তাব দেয়। শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হয় যে, দলগুলো চাইলে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এই ব্যতিক্রমগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। এরপর যে দল জিতবে, তার প্রস্তাবই কার্যকর হবে। কিন্তু হঠাৎ করেই উচ্চকক্ষে পিআর নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়, আর সেখান থেকে নিম্নকক্ষেও পিআরের দাবি জোরালো হতে থাকে। যদিও সাকি মনে করিয়ে দেন, নিম্নকক্ষে পিআর বিষয়টি কখনোই আলোচনার আনুষ্ঠানিক এজেন্ডা ছিল না। “এখন কোনো দল চাইলে দাবি তুলতে পারে, কিন্তু সেটা আলোচ্য তালিকায় আগে কখনো ছিল না”—বলেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


পিআর–শাপলা ছাড়া নির্বাচন ঠেকানোর হুঁশিয়ারি বিপজ্জনক: সাকি

প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

featured Image
পিআর–শাপলা ছাড়া নির্বাচন ঠেকানোর হুঁশিয়ারি বিপজ্জনক: সাকি বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে সময় সংবাদের সম্পাদকীয় আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সাকি বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল এমন ভাষা ব্যবহার করছে যেন তাদের দাবি না মানা হলে নির্বাচনই সম্ভব নয়। “আমি এটা না হলে করব না” বা “আমার প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হতে দিই না”—এই মনোভাব ইতিবাচক বা গণতান্ত্রিক কোনো অবস্থান নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, জামায়াতে ইসলামী নিম্নকক্ষে পিআর দাবি করতে পারে, তারা সেটা সামনে এনে জনমত তৈরি করছে—এ অধিকার তাদের আছে। কিন্তু “পিআর না হলে নির্বাচন হবে না” এই অবস্থান দায়িত্বশীল নয়। এর মাধ্যমে শক্তি পরীক্ষার পথ বেছে নেওয়া হয়, যা সরাসরি সংঘাতকে আমন্ত্রণ জানায়। একইভাবে কেউ যদি বলে “শাপলা প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হবে না”—সেটাও অগণতান্ত্রিক ও উসকানিমূলক বক্তব্য। সাকি স্মরণ করিয়ে দেন, অভ্যুত্থান কোনো একক শক্তির নেতৃত্বে হয়নি; তাই এখন শক্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা সংঘাতকেই ত্বরান্বিত করবে। তিনি বলেন, “প্রথম ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে আমরা ঠিক করেছিলাম—যে বিষয়ে ঐকমত্য হবে না, তা জনগণই নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারণ করবে। কিন্তু এখন সেটা বাদ দিয়ে যদি শক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে সমাধান খোঁজা হয়, তাহলে সংঘর্ষ অনিবার্য হয়ে উঠবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা উত্তরণের পথ দেখব কি শক্তি পরীক্ষার মাধ্যমে, নাকি জনগণের রায়ের ওপর ছেড়ে দেবো? জনগণ যাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে, সেটিই গণতান্ত্রিকভাবে মেনে নিতে হবে।” আর্টিকেল ৭০ ইস্যু প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ৪টি ব্যতিক্রমের (একসেপশন) প্রস্তাব তোলা হয়েছিল। প্রথম দুইটিতে সবাই একমত হলেও বিএনপি আরও দুইটি যুক্ত করার প্রস্তাব দেয়। শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হয় যে, দলগুলো চাইলে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এই ব্যতিক্রমগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। এরপর যে দল জিতবে, তার প্রস্তাবই কার্যকর হবে। কিন্তু হঠাৎ করেই উচ্চকক্ষে পিআর নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়, আর সেখান থেকে নিম্নকক্ষেও পিআরের দাবি জোরালো হতে থাকে। যদিও সাকি মনে করিয়ে দেন, নিম্নকক্ষে পিআর বিষয়টি কখনোই আলোচনার আনুষ্ঠানিক এজেন্ডা ছিল না। “এখন কোনো দল চাইলে দাবি তুলতে পারে, কিন্তু সেটা আলোচ্য তালিকায় আগে কখনো ছিল না”—বলেন তিনি।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল