পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের গজালিয়া বাজার এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক স্কুলশিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সর্দার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম স্থানীয় খারিজ্জমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃষি শিক্ষক। তিনি ওই এলাকার সাবেক শিক্ষক মোবারক আলী মাস্টারের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী ইউসুফ মোল্লার পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। এ নিয়ে গত ৩০ এপ্রিল গলাচিপা থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন আহত শিক্ষকের বাবা মোবারক আলী মাস্টার।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, শনিবার বিকেলে ইউসুফ মোল্লা, তার দুই ছেলে মাহাতাব ও রাকিবসহ কয়েকজন বাড়ির পাশের একটি পুকুরে জোরপূর্বক বালু ভরাটের প্রস্তুতি নেন। এ সময় তার ছেলে সাইফুল ইসলাম বাধা দিলে প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
অভিযোগের বিষয়ে ইউসুফ মোল্লার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ছেলে রাকিব ফোন রিসিভ করেন। পরে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “ঘটনার বিষয়ে এখনো পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

বুধবার, ০৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের গজালিয়া বাজার এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে এক স্কুলশিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সর্দার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম স্থানীয় খারিজ্জমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কৃষি শিক্ষক। তিনি ওই এলাকার সাবেক শিক্ষক মোবারক আলী মাস্টারের ছেলে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
পরিবারের অভিযোগ, প্রতিবেশী ইউসুফ মোল্লার পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা কার্যকর হয়নি। এ নিয়ে গত ৩০ এপ্রিল গলাচিপা থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন আহত শিক্ষকের বাবা মোবারক আলী মাস্টার।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, শনিবার বিকেলে ইউসুফ মোল্লা, তার দুই ছেলে মাহাতাব ও রাকিবসহ কয়েকজন বাড়ির পাশের একটি পুকুরে জোরপূর্বক বালু ভরাটের প্রস্তুতি নেন। এ সময় তার ছেলে সাইফুল ইসলাম বাধা দিলে প্রতিপক্ষের লোকজন তার ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
অভিযোগের বিষয়ে ইউসুফ মোল্লার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ছেলে রাকিব ফোন রিসিভ করেন। পরে এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানিয়ে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “ঘটনার বিষয়ে এখনো পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন