নিজস্ব প্রতিবেদক, স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম
মধ্যবিত্তের সীমাবদ্ধতা কি স্বপ্নের পথে বাধা হতে পারে? উত্তরটা হলো— 'না'। আর এই 'না' শব্দটিকেই সত্যি করে দেখিয়েছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর অদম্য এক তরুণী মিম। জীবনযুদ্ধের হাজারো চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি এখন একজন গর্বিত নারী উদ্যোক্তা। নাগেশ্বরী উপজেলা গেট সংলগ্ন এলাকায় আত্মপ্রত্যয়ের সুবাস ছড়িয়ে যাত্রা শুরু হলো ‘মিম আপুর ফুড কার্ট’-এর। যে গল্পটি আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে:
মিম কেবল একজন সাধারণ উদ্যোক্তাই নন, তিনি এক মানবিক হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি। নিজের সাধ্যের মধ্যে সর্বদা অন্যের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এই মেয়েটি প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে শূন্য থেকে শুরু করেও আকাশ ছোঁয়া যায়। তার এই ফুড কার্টটি কেবল খাবারের ব্যবসা নয়, বরং একজন মধ্যবিত্ত নারীর স্বাবলম্বী হওয়ার যুদ্ধ।
মিম আপুর রান্নায় কী কী বিশেষত্ব থাকছে?
পুরোপুরি ঘরোয়া আমেজ আর পরম মমতায় তৈরি প্রতিটি আইটেম যেন জিভে জল এনে দেবে! মেনুতে রয়েছে:
মাংসের শাহী আয়োজন: হাঁসের মাংস, কষানো গরুর মাংস এবং স্পেশাল কলিজা ভুনা।
ঐতিহ্যবাহী স্বাদ: তুলতুলে চালের আটার রুটি, ছিটা রুটি এবং ধোঁয়া ওঠা শাহী হালিম।
মুখরোচক আইটেম: ভোজনরসিকদের জন্য বিশেষ আকর্ষন মচমচে 'বট ভাজা'।
মিষ্টিমুখ: তৃপ্তির শেষ চুমুকে থাকছে ঘরোয়া টক দই, টক-মিষ্টি দই ও স্পেশাল মিষ্টি।
কেন আসবেন মিম আপুর ফুড কার্টে?
১. বিশুদ্ধতা: সম্পূর্ণ ঘরোয়া পরিবেশে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি।
২. সাশ্রয়: মধ্যবিত্তের নাগালে সেরা খাবারের স্বাদ।
৩. অনুপ্রেরণা: একজন নারী উদ্যোক্তার লড়াকু স্বপ্নকে সমর্থন জানানো।
নাগেশ্বরী উপজেলা গেট সংলগ্ন এই ফুড কার্টটি এখন এলাকার ভোজনরসিকদের প্রিয় গন্তব্য। মিমের এই সাহসী পথচলা এখন হাজারো তরুণ-তরুণীর জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
একজন হার না মানা মানুষের হাতের তৈরি খাবারের স্বাদ নিতে আজই চলে আসুন ‘মিম আপুর ফুড কার্টে’। আপনার উপস্থিতি হতে পারে একজন স্বপ্নচারী নারীর আগামীর পথচলার শক্তি।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, স্টাফ রিপোর্টার কুড়িগ্রাম
মধ্যবিত্তের সীমাবদ্ধতা কি স্বপ্নের পথে বাধা হতে পারে? উত্তরটা হলো— 'না'। আর এই 'না' শব্দটিকেই সত্যি করে দেখিয়েছেন কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর অদম্য এক তরুণী মিম। জীবনযুদ্ধের হাজারো চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি এখন একজন গর্বিত নারী উদ্যোক্তা। নাগেশ্বরী উপজেলা গেট সংলগ্ন এলাকায় আত্মপ্রত্যয়ের সুবাস ছড়িয়ে যাত্রা শুরু হলো ‘মিম আপুর ফুড কার্ট’-এর। যে গল্পটি আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে:
মিম কেবল একজন সাধারণ উদ্যোক্তাই নন, তিনি এক মানবিক হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি। নিজের সাধ্যের মধ্যে সর্বদা অন্যের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এই মেয়েটি প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছাশক্তি থাকলে শূন্য থেকে শুরু করেও আকাশ ছোঁয়া যায়। তার এই ফুড কার্টটি কেবল খাবারের ব্যবসা নয়, বরং একজন মধ্যবিত্ত নারীর স্বাবলম্বী হওয়ার যুদ্ধ।
মিম আপুর রান্নায় কী কী বিশেষত্ব থাকছে?
পুরোপুরি ঘরোয়া আমেজ আর পরম মমতায় তৈরি প্রতিটি আইটেম যেন জিভে জল এনে দেবে! মেনুতে রয়েছে:
মাংসের শাহী আয়োজন: হাঁসের মাংস, কষানো গরুর মাংস এবং স্পেশাল কলিজা ভুনা।
ঐতিহ্যবাহী স্বাদ: তুলতুলে চালের আটার রুটি, ছিটা রুটি এবং ধোঁয়া ওঠা শাহী হালিম।
মুখরোচক আইটেম: ভোজনরসিকদের জন্য বিশেষ আকর্ষন মচমচে 'বট ভাজা'।
মিষ্টিমুখ: তৃপ্তির শেষ চুমুকে থাকছে ঘরোয়া টক দই, টক-মিষ্টি দই ও স্পেশাল মিষ্টি।
কেন আসবেন মিম আপুর ফুড কার্টে?
১. বিশুদ্ধতা: সম্পূর্ণ ঘরোয়া পরিবেশে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে তৈরি।
২. সাশ্রয়: মধ্যবিত্তের নাগালে সেরা খাবারের স্বাদ।
৩. অনুপ্রেরণা: একজন নারী উদ্যোক্তার লড়াকু স্বপ্নকে সমর্থন জানানো।
নাগেশ্বরী উপজেলা গেট সংলগ্ন এই ফুড কার্টটি এখন এলাকার ভোজনরসিকদের প্রিয় গন্তব্য। মিমের এই সাহসী পথচলা এখন হাজারো তরুণ-তরুণীর জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
একজন হার না মানা মানুষের হাতের তৈরি খাবারের স্বাদ নিতে আজই চলে আসুন ‘মিম আপুর ফুড কার্টে’। আপনার উপস্থিতি হতে পারে একজন স্বপ্নচারী নারীর আগামীর পথচলার শক্তি।

আপনার মতামত লিখুন