চলন্ত ট্রেনের নিচে শুয়ে সন্তানের জীবন বাঁচালেন বাবাকিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক অথচ সাহসিকতার নজির। শত শত যাত্রীর চোখের সামনে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে জীবন-মৃত্যুর এক ভয়ংকর লড়াইয়ে নেমে পড়েন এক বাবা—নিজের বুক পেতে বাঁচান তার দুই বছরের সন্তানকে।
স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে উঠতে গিয়ে হঠাৎই প্ল্যাটফর্ম থেকে নিচে পড়ে যান এক নারী, সঙ্গে ছিল তার ছোট্ট ছেলে। দ্রুত উঠে আসার চেষ্টা করলেও হাত ফসকে আবারও ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝখানে পড়ে যায় শিশুটি। ঠিক তখনই ট্রেন ছাড়ার সংকেত বেজে ওঠে, চারপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি বুঝে মুহূর্তের মধ্যে নিচে ঝাঁপ দেন শিশুটির বাবা। কোনো কিছু ভাবার সুযোগ না নিয়েই সন্তানের ওপর নিজের শরীর ঢাল হিসেবে রেখে শুয়ে পড়েন লাইনের ওপর। এর মধ্যেই ট্রেন চলতে শুরু করে। একে একে আটটি বগি তাদের গা ঘেঁষে চলে যায়—নিঃশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে থাকেন উপস্থিত মানুষজন।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ট্রেন চলে যাওয়ার পর দেখা যায় বাবা ও সন্তান—দুজনই অক্ষত। এমন দৃশ্য দেখে উপস্থিত সবাই স্তব্ধ হয়ে যান, অনেকেই আবেগে কেঁদে ফেলেন। একজন বাবার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আর সাহসিকতার এই ঘটনা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল—বিপদের মুহূর্তে একজন বাবা কতটা নির্ভীক হতে পারেন, সন্তানের জীবনের জন্য নিজের জীবনকেও তুচ্ছ করে দিতে পারেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
চলন্ত ট্রেনের নিচে শুয়ে সন্তানের জীবন বাঁচালেন বাবাকিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ঘটেছে এক হৃদয়বিদারক অথচ সাহসিকতার নজির। শত শত যাত্রীর চোখের সামনে কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে জীবন-মৃত্যুর এক ভয়ংকর লড়াইয়ে নেমে পড়েন এক বাবা—নিজের বুক পেতে বাঁচান তার দুই বছরের সন্তানকে।
স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে উঠতে গিয়ে হঠাৎই প্ল্যাটফর্ম থেকে নিচে পড়ে যান এক নারী, সঙ্গে ছিল তার ছোট্ট ছেলে। দ্রুত উঠে আসার চেষ্টা করলেও হাত ফসকে আবারও ট্রেন ও প্ল্যাটফর্মের মাঝখানে পড়ে যায় শিশুটি। ঠিক তখনই ট্রেন ছাড়ার সংকেত বেজে ওঠে, চারপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি বুঝে মুহূর্তের মধ্যে নিচে ঝাঁপ দেন শিশুটির বাবা। কোনো কিছু ভাবার সুযোগ না নিয়েই সন্তানের ওপর নিজের শরীর ঢাল হিসেবে রেখে শুয়ে পড়েন লাইনের ওপর। এর মধ্যেই ট্রেন চলতে শুরু করে। একে একে আটটি বগি তাদের গা ঘেঁষে চলে যায়—নিঃশ্বাস বন্ধ করে তাকিয়ে থাকেন উপস্থিত মানুষজন।
অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, ট্রেন চলে যাওয়ার পর দেখা যায় বাবা ও সন্তান—দুজনই অক্ষত। এমন দৃশ্য দেখে উপস্থিত সবাই স্তব্ধ হয়ে যান, অনেকেই আবেগে কেঁদে ফেলেন। একজন বাবার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আর সাহসিকতার এই ঘটনা মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।
এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিল—বিপদের মুহূর্তে একজন বাবা কতটা নির্ভীক হতে পারেন, সন্তানের জীবনের জন্য নিজের জীবনকেও তুচ্ছ করে দিতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন