মৃত্যুর সঙ্গে টানা ছয় দিন লড়াই শেষে না–ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন নোয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগে গত শুক্রবার একই সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন তার বাবা শফিকুর রহমান।
নিহত সাইদুর রহমান নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের বড় রামদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নোয়াখালী সরকারি কলেজ–এর অনার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনাপুর থেকে কবিরহাটগামী একটি তেলবাহী ট্রাক ট্রান্সমিটার এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় ট্রাকটি রাস্তার পাশে একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই শফিকুর রহমান নিহত হন এবং সাইদুর রহমানসহ অন্তত তিনজন আহত হন।
স্থানীয়রা জানান, শফিকুর রহমান তার দুই সন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে দোকানের সামনে আসেন। ঠিক সেই সময় মাইজদী–সোনাপুর সড়ক দিয়ে আসা তেলবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেল ও শফিকুর রহমানকে ধাক্কা দিয়ে দোকানের ভেতরে ঢুকে পড়ে। গুরুতর আহত দুই সন্তানকে প্রথমে মাইজদী হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সাইদুর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। টানা ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে তিনি মারা যান।
ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা সড়কটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা ও ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মৃত্যুর সঙ্গে টানা ছয় দিন লড়াই শেষে না–ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন নোয়াখালী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সাইদুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এর আগে গত শুক্রবার একই সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন তার বাবা শফিকুর রহমান।
নিহত সাইদুর রহমান নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের বড় রামদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নোয়াখালী সরকারি কলেজ–এর অনার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোনাপুর থেকে কবিরহাটগামী একটি তেলবাহী ট্রাক ট্রান্সমিটার এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় ট্রাকটি রাস্তার পাশে একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই শফিকুর রহমান নিহত হন এবং সাইদুর রহমানসহ অন্তত তিনজন আহত হন।
স্থানীয়রা জানান, শফিকুর রহমান তার দুই সন্তানকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে দোকানের সামনে আসেন। ঠিক সেই সময় মাইজদী–সোনাপুর সড়ক দিয়ে আসা তেলবাহী ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেল ও শফিকুর রহমানকে ধাক্কা দিয়ে দোকানের ভেতরে ঢুকে পড়ে। গুরুতর আহত দুই সন্তানকে প্রথমে মাইজদী হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সাইদুর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। টানা ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর অবশেষে তিনি মারা যান।
ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা সড়কটির ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা ও ভারী যানবাহনের বেপরোয়া চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন