ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

কুড়িগ্রামের কচাকাটায় ১৩৬ বছর বয়সী শতবর্ষী হোসেন মন্ডল দম্পতির মানবেতর জীবনযাপনের খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল ‘মানবিক রশিদ মন্ডল ফাউন্ডেশন

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে মা ইলিশ সংরক্ষণে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস উদযাপিত

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

জিয়ানগরে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে উদ্বোধনের সময় ভারপ্রাপ্ত ইউএনও অনুপস্থিত, ক্ষোভ বিএনপি নেতা ও আয়োজকদের

নাসিরনগরে দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রা'সের প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

নাসিরনগরে দেশবিরোধী পরিকল্পিত সন্ত্রা'সের প্রতিবাদে বিএনপির বি'ক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

আদালতের নির্দেশে এফআইআর, তবুও প্রকাশ্যে আসামিরা; প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আতঙ্কে পরিবার।

আদালতের নির্দেশে এফআইআর, তবুও প্রকাশ্যে আসামিরা; প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে আতঙ্কে পরিবার।

নোয়াখালীতে বিদেশি ম'দসহ আ'টক ১ ‎

নোয়াখালীতে বিদেশি ম'দসহ আ'টক ১ ‎

জিয়ানগরে বালিপাড়া হাটে ভিটির ইজারা ২৬০ থেকে ৬ হাজার টাকা, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

জিয়ানগরে বালিপাড়া হাটে ভিটির ইজারা ২৬০ থেকে ৬ হাজার টাকা, বিপাকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা

পরিশ্রমের মূল্য না পেয়ে ট্রেনের দরজা ছেড়ে দিলেন বাপ্পি

পরিশ্রমের মূল্য না পেয়ে ট্রেনের দরজা ছেড়ে দিলেন বাপ্পি
ভাইরাল কুলির ভিডিও: পরিশ্রমের মূল্য না পেয়ে ট্রেনের দরজা ছেড়ে দিলেন বাপ্পি সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এক হৃদয়ছোঁয়া ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যায়—এক কুলি দৌঁড়ে চলন্ত ট্রেনের দরজার হ্যান্ডেল ধরে আছেন। ট্রেন দূরে সরে যাচ্ছে, আর তিনি বলছেন, “আল্লাহ আপনার কড়া বিচার করবেন।” এ কথার পরেই তিনি হাত ছেড়ে দেন ট্রেনের দরজার হ্যান্ডেল থেকে। এই দৃশ্য মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকেই ভেবেছিলেন হয়তো টাকা না পেয়ে হতাশ এক শ্রমজীবী মানুষের আক্ষেপের মুহূর্ত। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে আরও বিস্তারিত গল্প। থাকায় টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। ট্রেন ছাড়তে শুরু করলে বাপ্পি দ্রুত দৌড়ে দরজা পর্যন্ত যান এবং আক্ষেপ ঝরে পড়ে তার কণ্ঠে—প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়—লোকটির নাম কুলি বাপ্পি। এক যাত্রীকে ট্রেনে উঠাতে সাহায্য করেন তিনি। আগে থেকে কথা ছিল যাত্রী তাকে পারিশ্রমিক দেবেন। শুরুতে যাত্রী ১০ টাকা দিতে চান, পরে ৫০ টাকায় রাজি হন। কিন্তু বাপ্পি দাবি করেন ২০০ টাকা—কারণ তিনি দূর থেকে দৌড়ে এসে ট্রেন থামিয়েছিলেন এবং যাত্রীকে উঠাতে সাহায্য করেছিলেন। পরিশেষে যাত্রী ২০০ টাকা দিতে রাজি হলেও ভাংতি না “ওই যে ৫০ টাকা দিছে, ওইটাই নিছি... আল্লাহ আপনারে বিচার করুম।” “আমি যদি লেজ হইয়া থাকি, তাহলে আমি পামু স্যার।” এই দৃশ্য দেখেই অনেক নেটিজেন দিনমজুর বাপ্পির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে—পরিশ্রমের মূল্য দেওয়া শুধু একটি লেনদেন নয়, এটি মানবিকতার বিষয়। অন্যদিকে কিছু যাত্রী জানান, স্টেশনে কোনো নির্দিষ্ট রেট নির্ধারিত না থাকায় প্রায়ই কুলি ও যাত্রীদের মধ্যে এমন দ্বন্দ্ব দেখা যায়। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন—অনেক ক্ষেত্রে স্টেশনে কুলিদের একটি সিন্ডিকেট সক্রিয়, যারা কখনো কখনো অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করে হয়রানি করে থাকে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি একটি প্রশ্ন রেখে গেছে— কাজ করে কেউ কষ্টে টাকা চাইতে বাধ্য হবে কেন? পরিশ্রমের ন্যায্য মূল্য দেওয়া কি এত কঠিন?

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬


পরিশ্রমের মূল্য না পেয়ে ট্রেনের দরজা ছেড়ে দিলেন বাপ্পি

প্রকাশের তারিখ : ১০ নভেম্বর ২০২৫

featured Image
ভাইরাল কুলির ভিডিও: পরিশ্রমের মূল্য না পেয়ে ট্রেনের দরজা ছেড়ে দিলেন বাপ্পি সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে এক হৃদয়ছোঁয়া ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যায়—এক কুলি দৌঁড়ে চলন্ত ট্রেনের দরজার হ্যান্ডেল ধরে আছেন। ট্রেন দূরে সরে যাচ্ছে, আর তিনি বলছেন, “আল্লাহ আপনার কড়া বিচার করবেন।” এ কথার পরেই তিনি হাত ছেড়ে দেন ট্রেনের দরজার হ্যান্ডেল থেকে। এই দৃশ্য মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকেই ভেবেছিলেন হয়তো টাকা না পেয়ে হতাশ এক শ্রমজীবী মানুষের আক্ষেপের মুহূর্ত। কিন্তু এর পেছনে রয়েছে আরও বিস্তারিত গল্প। থাকায় টাকা দেওয়া সম্ভব হয়নি। ট্রেন ছাড়তে শুরু করলে বাপ্পি দ্রুত দৌড়ে দরজা পর্যন্ত যান এবং আক্ষেপ ঝরে পড়ে তার কণ্ঠে—প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়—লোকটির নাম কুলি বাপ্পি। এক যাত্রীকে ট্রেনে উঠাতে সাহায্য করেন তিনি। আগে থেকে কথা ছিল যাত্রী তাকে পারিশ্রমিক দেবেন। শুরুতে যাত্রী ১০ টাকা দিতে চান, পরে ৫০ টাকায় রাজি হন। কিন্তু বাপ্পি দাবি করেন ২০০ টাকা—কারণ তিনি দূর থেকে দৌড়ে এসে ট্রেন থামিয়েছিলেন এবং যাত্রীকে উঠাতে সাহায্য করেছিলেন। পরিশেষে যাত্রী ২০০ টাকা দিতে রাজি হলেও ভাংতি না “ওই যে ৫০ টাকা দিছে, ওইটাই নিছি... আল্লাহ আপনারে বিচার করুম।” “আমি যদি লেজ হইয়া থাকি, তাহলে আমি পামু স্যার।” এই দৃশ্য দেখেই অনেক নেটিজেন দিনমজুর বাপ্পির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে—পরিশ্রমের মূল্য দেওয়া শুধু একটি লেনদেন নয়, এটি মানবিকতার বিষয়। অন্যদিকে কিছু যাত্রী জানান, স্টেশনে কোনো নির্দিষ্ট রেট নির্ধারিত না থাকায় প্রায়ই কুলি ও যাত্রীদের মধ্যে এমন দ্বন্দ্ব দেখা যায়। স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন—অনেক ক্ষেত্রে স্টেশনে কুলিদের একটি সিন্ডিকেট সক্রিয়, যারা কখনো কখনো অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করে হয়রানি করে থাকে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি একটি প্রশ্ন রেখে গেছে— কাজ করে কেউ কষ্টে টাকা চাইতে বাধ্য হবে কেন? পরিশ্রমের ন্যায্য মূল্য দেওয়া কি এত কঠিন?

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল