ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়া ডা. তাসনিম জারা নির্বাচনী তহবিলের অনুদানের অর্থ ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা অনুদানদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লেখেন, তার নির্বাচনী তহবিলে যারা অর্থ সহায়তা দিয়েছেন, তাদের প্রতি তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটে কেউ যদি প্রদত্ত অনুদান ফেরত নিতে চান, তাহলে নির্দিষ্ট একটি ফর্ম পূরণ করে অর্থ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, অনুদানদাতাদের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে এই সুযোগ রাখা হয়েছে। যারা অর্থ ফেরত নিতে ইচ্ছুক, তারা যেন নিঃসংকোচে আবেদন করেন—এমন অনুরোধও জানান তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী তহবিলের অর্থ ফেরত দেওয়ার এমন ঘোষণা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তুলনামূলকভাবে বিরল ঘটনা। সাধারণত প্রার্থীরা নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে সংগৃহীত অনুদান ব্যবহার করেন। সে প্রেক্ষাপটে অনুদানদাতাদের ইচ্ছানুযায়ী অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার একটি বার্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন প্রার্থীর অর্থায়ন ও ব্যয়ের বিষয়টি জনআলোচনায় ছিল। এ অবস্থায় তাসনিম জারার এই ঘোষণায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তবে কতজন অনুদানদাতা অর্থ ফেরত চাইবেন বা কী প্রক্রিয়ায় তা সম্পন্ন হবে—এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, নির্বাচনী তহবিলে অনুদান গ্রহণ ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হয়। এ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়া ডা. তাসনিম জারা নির্বাচনী তহবিলের অনুদানের অর্থ ফেরত দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
ফেসবুক পোস্টে তাসনিম জারা অনুদানদাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লেখেন, তার নির্বাচনী তহবিলে যারা অর্থ সহায়তা দিয়েছেন, তাদের প্রতি তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রেক্ষাপটে কেউ যদি প্রদত্ত অনুদান ফেরত নিতে চান, তাহলে নির্দিষ্ট একটি ফর্ম পূরণ করে অর্থ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, অনুদানদাতাদের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে এই সুযোগ রাখা হয়েছে। যারা অর্থ ফেরত নিতে ইচ্ছুক, তারা যেন নিঃসংকোচে আবেদন করেন—এমন অনুরোধও জানান তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনী তহবিলের অর্থ ফেরত দেওয়ার এমন ঘোষণা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তুলনামূলকভাবে বিরল ঘটনা। সাধারণত প্রার্থীরা নির্বাচনী ব্যয়ের অংশ হিসেবে সংগৃহীত অনুদান ব্যবহার করেন। সে প্রেক্ষাপটে অনুদানদাতাদের ইচ্ছানুযায়ী অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রস্তাব স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার একটি বার্তা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন প্রার্থীর অর্থায়ন ও ব্যয়ের বিষয়টি জনআলোচনায় ছিল। এ অবস্থায় তাসনিম জারার এই ঘোষণায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তবে কতজন অনুদানদাতা অর্থ ফেরত চাইবেন বা কী প্রক্রিয়ায় তা সম্পন্ন হবে—এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।
উল্লেখ্য, নির্বাচনী তহবিলে অনুদান গ্রহণ ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হয়। এ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেই অর্থ ফেরত দেওয়া হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন