মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল অনুযায়ী প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং পরে দলীয় প্রধান হিসেবে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ সময় তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং দলীয় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়।
একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানুষের ঢল নামে। নানা বয়সী মানুষ ফুল হাতে শহীদদের স্মরণ করেন। “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানটি পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পুরো পরিবেশ হয়ে ওঠে আবেগঘন।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা অনেকেই আত্মত্যাগ করেন। তাদের সেই আত্মদানই পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেরণা জুগিয়েছে।
ভাষা শহীদদের স্মরণে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে জাতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় তাদের অবদান স্মরণ করছে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার রাত ১২টা ১ মিনিটে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল অনুযায়ী প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং পরে দলীয় প্রধান হিসেবে পৃথকভাবে শ্রদ্ধা জানান তিনি। এ সময় তিনি কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান জানান।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং দলীয় নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও ফুলেল শ্রদ্ধা জানানো হয়।
একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানুষের ঢল নামে। নানা বয়সী মানুষ ফুল হাতে শহীদদের স্মরণ করেন। “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি” গানটি পরিবেশনের মধ্য দিয়ে পুরো পরিবেশ হয়ে ওঠে আবেগঘন।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা অনেকেই আত্মত্যাগ করেন। তাদের সেই আত্মদানই পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রেরণা জুগিয়েছে।
ভাষা শহীদদের স্মরণে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে জাতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতায় তাদের অবদান স্মরণ করছে।

আপনার মতামত লিখুন