বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
শুক্রবার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্থানীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রুমিন ফারহানা শহীদ মিনারে পৌঁছালে একদল উত্তেজিত নেতাকর্মী তার পথরোধ করেন। এ সময় তারা স্লোগান দিতে থাকেন এবং তার হাতে থাকা পুষ্পস্তবক ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন।
ঘটনার আকস্মিকতায় সেখানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত বাধার মুখে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই স্থান ত্যাগ করতে হয় রুমিন ফারহানাকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা দাবি করেন, এটি দলের অভ্যন্তরীণ ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। অন্যদিকে রুমিন ফারহানার সমর্থকরা ঘটনাটিকে পরিকল্পিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মতো একটি দিনে এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
শুক্রবার মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে স্থানীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রুমিন ফারহানা শহীদ মিনারে পৌঁছালে একদল উত্তেজিত নেতাকর্মী তার পথরোধ করেন। এ সময় তারা স্লোগান দিতে থাকেন এবং তার হাতে থাকা পুষ্পস্তবক ছিনিয়ে নিয়ে ছিঁড়ে ফেলেন।
ঘটনার আকস্মিকতায় সেখানে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে শেষ পর্যন্ত বাধার মুখে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই স্থান ত্যাগ করতে হয় রুমিন ফারহানাকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা দাবি করেন, এটি দলের অভ্যন্তরীণ ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। অন্যদিকে রুমিন ফারহানার সমর্থকরা ঘটনাটিকে পরিকল্পিত ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন।
ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মতো একটি দিনে এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

আপনার মতামত লিখুন