সংস্কারের মাধ্যমে দেশের সব আবর্জনা দূর করতে চাই: শফিকুর রহমান
সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজের সব ধরনের ‘আবর্জনা’ দূর করে একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, শুধু দৃশ্যমান সমস্যাই নয়—প্রশাসন, রাজনীতি ও সামাজিক কাঠামোর ভেতরে জমে থাকা অনিয়ম-দুর্নীতিও দূর করতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ও প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে তিনি মন্তব্য করেন, দেশে কার্যকর সংস্কার ছাড়া কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। তার ভাষায়, “রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে জবাবদিহিতার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রয়োজন কাঠামোগত সংস্কার এবং নৈতিক পুনর্জাগরণ।”
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতার অভাব ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে জনআস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে হলে আইনের শাসন নিশ্চিত করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানো জরুরি। দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা এবং প্রশাসনে কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার পরিবেশ তৈরি করাও সময়ের দাবি।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও নৈতিক নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা থেকে মুক্ত করা সম্ভব। জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি ন্যায়ভিত্তিক, কল্যাণমুখী ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা যাবে বলেও তিনি মত

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সংস্কারের মাধ্যমে দেশের সব আবর্জনা দূর করতে চাই: শফিকুর রহমান
সংস্কারের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজের সব ধরনের ‘আবর্জনা’ দূর করে একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, শুধু দৃশ্যমান সমস্যাই নয়—প্রশাসন, রাজনীতি ও সামাজিক কাঠামোর ভেতরে জমে থাকা অনিয়ম-দুর্নীতিও দূর করতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ও প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে তিনি মন্তব্য করেন, দেশে কার্যকর সংস্কার ছাড়া কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। তার ভাষায়, “রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরে জবাবদিহিতার ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রয়োজন কাঠামোগত সংস্কার এবং নৈতিক পুনর্জাগরণ।”
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতার অভাব ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে জনআস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে হলে আইনের শাসন নিশ্চিত করা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানো জরুরি। দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, একটি সুস্থ গণতান্ত্রিক পরিবেশ গড়ে তুলতে হলে নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচারব্যবস্থা এবং প্রশাসনে কার্যকর সংস্কার প্রয়োজন। তিনি দাবি করেন, জনগণের অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই পরিবর্তন সম্ভব নয়। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সমঝোতার পরিবেশ তৈরি করাও সময়ের দাবি।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও নৈতিক নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনা থেকে মুক্ত করা সম্ভব। জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় একটি ন্যায়ভিত্তিক, কল্যাণমুখী ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা যাবে বলেও তিনি মত

আপনার মতামত লিখুন