চট্টগ্রামের গহিরা গ্রাম: এক গ্রাম থেকে একই দলের তিন এমপি!
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রাম এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই একটি গ্রাম থেকেই বিজয়ী হয়েছেন তিনজন সংসদ সদস্য—আর আশ্চর্যের বিষয়, তিনজনই একই রাজনৈতিক দলের প্রার্থী। শুধু তাই নয়, তাঁদের মধ্যে দুজন আবার একই পরিবারের সন্তান।
কীভাবে সম্ভব হলো?
বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় একজন প্রার্থী যে কোনো আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন, তাঁর নিজ গ্রাম বা এলাকার ভিত্তিতে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে একটি গ্রামের একাধিক ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন সংসদীয় আসন থেকে প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হতে পারেন। গহিরা গ্রামের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।
এই গ্রামের তিনজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী হন। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর তাঁরা নিজ নিজ এলাকায় প্রচারণা চালান এবং ভোটারদের আস্থা অর্জন করে বিজয়ী হন। ফলে একই গ্রামের তিনজন, তাও একই দলের প্রতিনিধিত্ব করে, সংসদে যাচ্ছেন।
একই বাড়ির দুই ভাই!
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো—নির্বাচিত তিনজনের মধ্যে দুজন একই পরিবারের। রাজনৈতিক ঐতিহ্য, পারিবারিক প্রভাব এবং দীর্ঘদিনের দলীয় সক্রিয়তার কারণে তাঁদের জনপ্রিয়তা নিজ নিজ এলাকায় সুপ্রতিষ্ঠিত ছিল বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
রাজনৈতিক তাৎপর্য
বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি গ্রামের সাফল্য নয়; বরং এটি দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্বের প্রভাবের প্রতিফলন। একটি গ্রাম থেকে তিনজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া বিরল ঘটনা, যা জাতীয় রাজনীতিতেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
গহিরা গ্রামের বাসিন্দারা বিষয়টিকে গর্বের বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মতে, গ্রামের সন্তানরা দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় প্রতিনিধিত্ব করবেন—এটি পুরো এলাকার জন্য সম্মানের।
বিরল কিন্তু সম্ভব
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবার দেখা গেছে, তবে একই গ্রাম থেকে একই দলের তিনজন এমপি নির্বাচিত হওয়া নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী ঘটনা। এটি প্রমাণ করে, স্থানীয় রাজনীতির শক্ত ভিত থাকলে জাতীয় রাজনীতিতেও তার প্রভাব বিস্তার সম্ভব।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের গহিরা গ্রাম: এক গ্রাম থেকে একই দলের তিন এমপি!
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রাম এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই একটি গ্রাম থেকেই বিজয়ী হয়েছেন তিনজন সংসদ সদস্য—আর আশ্চর্যের বিষয়, তিনজনই একই রাজনৈতিক দলের প্রার্থী। শুধু তাই নয়, তাঁদের মধ্যে দুজন আবার একই পরিবারের সন্তান।
কীভাবে সম্ভব হলো?
বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় একজন প্রার্থী যে কোনো আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন, তাঁর নিজ গ্রাম বা এলাকার ভিত্তিতে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। ফলে একটি গ্রামের একাধিক ব্যক্তি ভিন্ন ভিন্ন সংসদীয় আসন থেকে প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হতে পারেন। গহিরা গ্রামের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।
এই গ্রামের তিনজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী হন। দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর তাঁরা নিজ নিজ এলাকায় প্রচারণা চালান এবং ভোটারদের আস্থা অর্জন করে বিজয়ী হন। ফলে একই গ্রামের তিনজন, তাও একই দলের প্রতিনিধিত্ব করে, সংসদে যাচ্ছেন।
একই বাড়ির দুই ভাই!
সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো—নির্বাচিত তিনজনের মধ্যে দুজন একই পরিবারের। রাজনৈতিক ঐতিহ্য, পারিবারিক প্রভাব এবং দীর্ঘদিনের দলীয় সক্রিয়তার কারণে তাঁদের জনপ্রিয়তা নিজ নিজ এলাকায় সুপ্রতিষ্ঠিত ছিল বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
রাজনৈতিক তাৎপর্য
বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল একটি গ্রামের সাফল্য নয়; বরং এটি দলীয় সাংগঠনিক শক্তি ও স্থানীয় নেতৃত্বের প্রভাবের প্রতিফলন। একটি গ্রাম থেকে তিনজন সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া বিরল ঘটনা, যা জাতীয় রাজনীতিতেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয়দের প্রতিক্রিয়া
গহিরা গ্রামের বাসিন্দারা বিষয়টিকে গর্বের বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁদের মতে, গ্রামের সন্তানরা দেশের সর্বোচ্চ আইনসভায় প্রতিনিধিত্ব করবেন—এটি পুরো এলাকার জন্য সম্মানের।
বিরল কিন্তু সম্ভব
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবার দেখা গেছে, তবে একই গ্রাম থেকে একই দলের তিনজন এমপি নির্বাচিত হওয়া নিঃসন্দেহে ব্যতিক্রমী ঘটনা। এটি প্রমাণ করে, স্থানীয় রাজনীতির শক্ত ভিত থাকলে জাতীয় রাজনীতিতেও তার প্রভাব বিস্তার সম্ভব।

আপনার মতামত লিখুন