টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা আফনান মারা গেছে
মিয়ানমারের সীমান্ত থেকে নাফ নদীর বিপরীতপাড়ে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির সময় গুলিবিদ্ধ হওয়া ৯/১২ বছর বয়সী বাংলাদেশি শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনান আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ৯:৫০টায় ঢাকা-র জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
ঘটনার পটভূমি
হুজাইফা আফনান ১১ জানুয়ারি ২০২৬ রাতের দিকে টेकনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের টেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন, যখন বাড়ির সামনে থাকা অবস্থায় মিয়ানমার দিক থেকে আসা গুলির একটি বোমা-বিচ্ছিন্ন গুলি তার মাথায় লাগে।
তিনি গুরুত্বপুর্ণ অবস্থায় প্রথম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (CMCH) ভর্তি করা হয়। সেখানে জরুরি চিকিৎসা শুরু হলেও গুলির খুলি মস্তিষ্কের ভেতর থাকা অবস্থায় নিরাপদভাবে বের করা যায়নি।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল, যেখানে ২৭ দিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ ৭ ফেব্রুয়ারি শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
প্রতিক্রিয়া ও পরিস্থিতি
ঘটনার পর স্থানীয়রা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে আমদানি-রপ্তানি রুটে প্রতিবাদ দেখান।
পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এ বিষয়ে উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানায়।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টেকনাফ সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা আফনান মারা গেছে
মিয়ানমারের সীমান্ত থেকে নাফ নদীর বিপরীতপাড়ে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির সময় গুলিবিদ্ধ হওয়া ৯/১২ বছর বয়সী বাংলাদেশি শিশু হুজাইফা সুলতানা আফনান আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ৯:৫০টায় ঢাকা-র জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
ঘটনার পটভূমি
হুজাইফা আফনান ১১ জানুয়ারি ২০২৬ রাতের দিকে টेकনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের টেচ্ছি ব্রিজ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হন, যখন বাড়ির সামনে থাকা অবস্থায় মিয়ানমার দিক থেকে আসা গুলির একটি বোমা-বিচ্ছিন্ন গুলি তার মাথায় লাগে।
তিনি গুরুত্বপুর্ণ অবস্থায় প্রথম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (CMCH) ভর্তি করা হয়। সেখানে জরুরি চিকিৎসা শুরু হলেও গুলির খুলি মস্তিষ্কের ভেতর থাকা অবস্থায় নিরাপদভাবে বের করা যায়নি।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল, যেখানে ২৭ দিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ ৭ ফেব্রুয়ারি শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
প্রতিক্রিয়া ও পরিস্থিতি
ঘটনার পর স্থানীয়রা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে আমদানি-রপ্তানি রুটে প্রতিবাদ দেখান।
পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে এ বিষয়ে উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানায়।

আপনার মতামত লিখুন