আবু সাঈদ হত্যা: আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন
রোববার (২৫ জানুয়ারি ২০২৬) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ (প্রসিকিউশন) রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন। শুনানির তৃতীয় দিনে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম দীর্ঘ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন এবং ৩০ জন আসামির জন্য কঠিনতম শাস্তি চান।
???? কী ঘটেছিল?
গত ১৬ জুলাই ২০২৪ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
এই হত্যা নিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা হয় এবং ৩০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মামলায় তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অন্যান্যদের নাম আছে।
⚖️ ট্রাইব্যুনালে কি আলোচনা হল?
রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য, সিসিটিভি ফুটেজ ও আইনগত যুক্তি তুলে ধরে বলে আসামিরা সাধারণ হত্যাকাণ্ড নয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে দায়ী এবং তাদের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) চাই।
প্রসিকিউশন শুনানিতে মামলা-সংক্রান্ত ভিডিও, সিসিটিভি ও ঘটনাস্থলের প্রমাণাদি উপস্থাপন করেছে।
আজকের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন এবং আইনি বিশ্লেষণ করা হয়।
???? বর্তমান পরিস্থিতি
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ পর্যায়ে রয়েছে; পরবর্তী শুনানি ও রায় ঘোষণার অপেক্ষায় আদালত।
আসামিদের গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন সময় আদালত পদক্ষেপ নিয়েছে; অনেক আসামি

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
আবু সাঈদ হত্যা: আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন
রোববার (২৫ জানুয়ারি ২০২৬) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ (প্রসিকিউশন) রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন। শুনানির তৃতীয় দিনে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম দীর্ঘ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন এবং ৩০ জন আসামির জন্য কঠিনতম শাস্তি চান।
???? কী ঘটেছিল?
গত ১৬ জুলাই ২০২৪ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
এই হত্যা নিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা হয় এবং ৩০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মামলায় তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও অন্যান্যদের নাম আছে।
⚖️ ট্রাইব্যুনালে কি আলোচনা হল?
রাষ্ট্রপক্ষ সাক্ষ্য, সিসিটিভি ফুটেজ ও আইনগত যুক্তি তুলে ধরে বলে আসামিরা সাধারণ হত্যাকাণ্ড নয়, মানবতাবিরোধী অপরাধে দায়ী এবং তাদের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) চাই।
প্রসিকিউশন শুনানিতে মামলা-সংক্রান্ত ভিডিও, সিসিটিভি ও ঘটনাস্থলের প্রমাণাদি উপস্থাপন করেছে।
আজকের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের অবশিষ্ট যুক্তিতর্ক উপস্থাপন এবং আইনি বিশ্লেষণ করা হয়।
???? বর্তমান পরিস্থিতি
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ পর্যায়ে রয়েছে; পরবর্তী শুনানি ও রায় ঘোষণার অপেক্ষায় আদালত।
আসামিদের গ্রেফতারের জন্য বিভিন্ন সময় আদালত পদক্ষেপ নিয়েছে; অনেক আসামি

আপনার মতামত লিখুন