ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

নতুন আইনে সাত ধরনের দলিল অকার্যকর—জালিয়াতিতে জেল ও জরিমানা

নতুন আইনে সাত ধরনের দলিল অকার্যকর—জালিয়াতিতে জেল ও জরিমানা
নতুন আইনে সাত ধরনের দলিল অকার্যকর—জালিয়াতিতে জেল ও জরিমানা দেশে ‘ভূমি ব্যবহার স্বত্ব আইন’ এবং ‘ভূমি অপরাধ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ নামে দুটি নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব আইনের আওতায় রেজিস্ট্রিবিহীন, সিল-সাক্ষরবিহীন এবং সরকারি ফি-বিহীন সাত ধরনের দলিল বাতিল ঘোষণার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ বৈধ রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো দলিলই আর আইনগতভাবে কার্যকর থাকবে না। জমি কেনা–বেচা, হেবা, দান, বন্ধক, বাটোয়ারা—সব ধরনের বৈধ দলিল অবশ্যই সাবরেজিস্ট্রি অফিসে নিবন্ধন করতে হয়। বায়না দলিলও রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমেই বৈধতা পায়। রেজিস্ট্রেশনের জন্য জমির অবস্থান, সীমা, মালিকানার ইতিহাস, প্লটের নকশা, দাতা–গ্রহীতার তথ্য, প্রয়োজনীয় হলফনামাসহ কর, ফি, ভ্যাট ও আয়কর যথাযথভাবে পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। নতুন আইন বলছে, শুধু রেজিস্ট্রিহীন দলিল নয়—জাল খতিয়ান, ভুয়া দলিল বা প্রতারণার মাধ্যমে খাস জমি দখল করে করা দলিলও বাতিল বলে গণ্য হবে। এমনকি ওয়ারিশদের অধিকার বঞ্চিত করে সম্পত্তি হস্তান্তর করা হলেও সেই দলিল আইনের চোখে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে। আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দ্রুত বিচার ও শাস্তির বিধান আনার প্রস্তাব রয়েছে। দলিল জালিয়াতি, জমি দখল ও প্রতারণার মতো অপরাধের জন্য তিন মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নতুন আইন কার্যকর হলে ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়বে, জালিয়াতির সুযোগ কমবে এবং প্রকৃত মালিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬


নতুন আইনে সাত ধরনের দলিল অকার্যকর—জালিয়াতিতে জেল ও জরিমানা

প্রকাশের তারিখ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫

featured Image
নতুন আইনে সাত ধরনের দলিল অকার্যকর—জালিয়াতিতে জেল ও জরিমানা দেশে ‘ভূমি ব্যবহার স্বত্ব আইন’ এবং ‘ভূমি অপরাধ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ নামে দুটি নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব আইনের আওতায় রেজিস্ট্রিবিহীন, সিল-সাক্ষরবিহীন এবং সরকারি ফি-বিহীন সাত ধরনের দলিল বাতিল ঘোষণার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ বৈধ রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কোনো দলিলই আর আইনগতভাবে কার্যকর থাকবে না। জমি কেনা–বেচা, হেবা, দান, বন্ধক, বাটোয়ারা—সব ধরনের বৈধ দলিল অবশ্যই সাবরেজিস্ট্রি অফিসে নিবন্ধন করতে হয়। বায়না দলিলও রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমেই বৈধতা পায়। রেজিস্ট্রেশনের জন্য জমির অবস্থান, সীমা, মালিকানার ইতিহাস, প্লটের নকশা, দাতা–গ্রহীতার তথ্য, প্রয়োজনীয় হলফনামাসহ কর, ফি, ভ্যাট ও আয়কর যথাযথভাবে পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। নতুন আইন বলছে, শুধু রেজিস্ট্রিহীন দলিল নয়—জাল খতিয়ান, ভুয়া দলিল বা প্রতারণার মাধ্যমে খাস জমি দখল করে করা দলিলও বাতিল বলে গণ্য হবে। এমনকি ওয়ারিশদের অধিকার বঞ্চিত করে সম্পত্তি হস্তান্তর করা হলেও সেই দলিল আইনের চোখে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হবে। আইনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দ্রুত বিচার ও শাস্তির বিধান আনার প্রস্তাব রয়েছে। দলিল জালিয়াতি, জমি দখল ও প্রতারণার মতো অপরাধের জন্য তিন মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নতুন আইন কার্যকর হলে ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বাড়বে, জালিয়াতির সুযোগ কমবে এবং প্রকৃত মালিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল