এই অর্জনকে বাংলাদেশের জন্য এক অসাধারণ ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেন।
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় তিনি এই অর্জনকে বাংলাদেশের জন্য এক অসাধারণ ও ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করেন।
ড. ইউনূস তার শুভেচ্ছা বার্তায় উল্লেখ করেন, মেরিনা তাবাসসুমের উদ্ভাবনী নকশা ‘খুদি বাড়ি’—যা নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ও বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য জলবায়ু-সহনশীল, স্বল্প ব্যয়ে নির্মাণযোগ্য ও সহজে বহনযোগ্য আবাসন সমাধান—প্রমাণ করে স্থাপত্য শুধু সৌন্দর্য বা রূপ নয়, বরং মানবিকতা, সহমর্মিতা ও দূরদৃষ্টির এক শক্তিশালী হাতিয়ার।
তিনি আরও বলেন, “আপনার কাজ বিশ্বকে নতুন করে দেখিয়েছে যে নকশা মর্যাদা, স্থিতিস্থাপকতা এবং আমাদের সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় মানুষের সৃজনশীলতার প্রতিচ্ছবি হতে পারে।”
প্রধান উপদেষ্টা এ সময় মেরিনা তাবাসসুমের ২০১৬ সালে আগা খান অ্যাওয়ার্ড অর্জন করা প্রকল্প ‘বাইতুর রউফ মসজিদ’-এর কথাও স্মরণ করেন। তার মতে, সেটি ছিল বাংলাদেশের স্থাপত্যকে বৈশ্বিক পরিসরে তুলে ধরার এক মাইলফলক, আর সর্বশেষ পুরস্কার সেই উত্তরাধিকারকে আরও সমুন্নত করেছে।
এ ছাড়াও তিনি মেরিনা তাবাসসুমের ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’-এর প্রধান পরামর্শক হিসেবে ভূমিকা এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে অবদানকেও বিশেষভাবে প্রশংসা করেন।
ড. ইউনূস আশা প্রকাশ করেন, “আপনার সৃজনশীলতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্থপতি ও পরিবর্তনসাধকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে
চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলমবার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ
কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপনার মতামত লিখুন