ডি এস কে টিভি চ্যানেল
প্রকাশ : বুধবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৫

টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স অনুমোদন নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর

টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স অনুমোদন নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতার নামে নতুন দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স অনুমোদন নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “শুনেছি এনসিপির দুই নেতার নামে দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যাদের নামে লাইসেন্স হয়েছে, তারা আমার পরিচিত। বাস্তবে তারা নিজেদের সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন, টেলিভিশন পরিচালনা তো দূরের কথা।” তিনি আরও বলেন, “আমি নিজে একটি দলের প্রধান। ৫ আগস্টের পরও যেখানে ছিলাম, এখনও সেখানেই আছি। যাদের কথা বলছি, তারা অনেকেই আমার সহকর্মী ছিলেন। কেউ ছোট একটি পত্রিকায় কাজ করেন, খুব বেশি বেতনও পান না। মূলধারার কোনো গণমাধ্যমেও তারা নেই। এমন পরিস্থিতিতে কিভাবে তাদের নামে টেলিভিশন অনুমোদন মিলল, সেটা আমার বোধগম্য নয়। এতে সরকারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।” নুরুল হক নুরের মতে, এই ঘটনাই প্রমাণ করে সরকারের কর্মকাণ্ডে অস্বচ্ছতা ও পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। তিনি বলেন, “ওয়ান ইলেভেনের সরকার শুরুর দিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, মানুষকে শৃঙ্খলায় আনার কিছু উদ্যোগও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু এই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকার থেকে আমরা তেমন কিছু দেখিনি। বরং পুরনো ধাঁচে ভাগ-বাটোয়ারা, নিয়ন্ত্রণ, প্রভাব খাটানো ও প্রতিষ্ঠান দখলের সংস্কৃতি চলছেই।” তার অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে অনেক গণমাধ্যমই দখল হয়ে গেছে। নুরের ভাষায়, “এ ধরনের কর্মকাণ্ড আমরা এই সরকারের কাছ থেকে প্রত্যাশা করিনি। সরকারে যারা আছেন, এই অবস্থার দায় তাদেরই নিতে হবে।”

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬


টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স অনুমোদন নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর

প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৫

featured Image
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দুই নেতার নামে নতুন দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের লাইসেন্স অনুমোদন নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “শুনেছি এনসিপির দুই নেতার নামে দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যাদের নামে লাইসেন্স হয়েছে, তারা আমার পরিচিত। বাস্তবে তারা নিজেদের সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন, টেলিভিশন পরিচালনা তো দূরের কথা।” তিনি আরও বলেন, “আমি নিজে একটি দলের প্রধান। ৫ আগস্টের পরও যেখানে ছিলাম, এখনও সেখানেই আছি। যাদের কথা বলছি, তারা অনেকেই আমার সহকর্মী ছিলেন। কেউ ছোট একটি পত্রিকায় কাজ করেন, খুব বেশি বেতনও পান না। মূলধারার কোনো গণমাধ্যমেও তারা নেই। এমন পরিস্থিতিতে কিভাবে তাদের নামে টেলিভিশন অনুমোদন মিলল, সেটা আমার বোধগম্য নয়। এতে সরকারের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।” নুরুল হক নুরের মতে, এই ঘটনাই প্রমাণ করে সরকারের কর্মকাণ্ডে অস্বচ্ছতা ও পক্ষপাতিত্ব রয়েছে। তিনি বলেন, “ওয়ান ইলেভেনের সরকার শুরুর দিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিল, মানুষকে শৃঙ্খলায় আনার কিছু উদ্যোগও দেখা গিয়েছিল। কিন্তু এই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকার থেকে আমরা তেমন কিছু দেখিনি। বরং পুরনো ধাঁচে ভাগ-বাটোয়ারা, নিয়ন্ত্রণ, প্রভাব খাটানো ও প্রতিষ্ঠান দখলের সংস্কৃতি চলছেই।” তার অভিযোগ, ৫ আগস্টের পর থেকে অনেক গণমাধ্যমই দখল হয়ে গেছে। নুরের ভাষায়, “এ ধরনের কর্মকাণ্ড আমরা এই সরকারের কাছ থেকে প্রত্যাশা করিনি। সরকারে যারা আছেন, এই অবস্থার দায় তাদেরই নিতে হবে।”

ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল