উচ্চশিক্ষিত ছেলের হাতে বৃদ্ধা মায়ের নির্যাতন, বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ
রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনায় এক বৃদ্ধা মাকে বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তারই উচ্চশিক্ষিত ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মা আয়েশা খাতুন নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করে গড়ে তুলেছিলেন। বাড়ির ভাড়ার আয় দিয়ে ছেলের লেখাপড়ার খরচ বহন করেছেন এবং তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কিন্তু বিয়ের পর সেই ছেলেই বৃদ্ধা মাকে এবং আরেক ভাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে আয়েশা খাতুন বলেন, “আমি তাকে কত কষ্ট করে বড় করেছি। নিজের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে মানুষ করেছি। কখনো ভাবিনি, যার জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করেছি, সেই সন্তানই একদিন আমার সঙ্গে এমন আচরণ করবে।”
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তিনটি বাড়ির আয়ের অর্থ দিয়ে শিক্ষিত হওয়া ছোট ছেলে আব্দুল মজিদ পরবর্তীতে মায়ের জমি নিজের নামে লিখিয়ে নেন। এরপর তিনি মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন এবং পরিবারের অন্য সদস্যদেরও সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেন।
অন্য ভাইয়েরা দাবি করেন, “আমাদের সবার ছোট ভাই আব্দুল মজিদ আমাদের মায়ের সম্পদ দখল করে নিয়েছে। আমরা জমির কাছে গেলেও বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। সন্ত্রাসী দিয়ে উৎখাত করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।”
এছাড়া সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরিবারের ষষ্ঠ ভাইকে জোরপূর্বক চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ করে তোলার অভিযোগও তুলেছেন তারা। পরে তাকেও বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। তাদের দাবি, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।
তবে অভিযুক্ত আব্দুল মজিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুন ২০২৬
উচ্চশিক্ষিত ছেলের হাতে বৃদ্ধা মায়ের নির্যাতন, বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ
রাজধানীর দক্ষিণখানের আশকোনায় এক বৃদ্ধা মাকে বাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তারই উচ্চশিক্ষিত ছেলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মা আয়েশা খাতুন নিজের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দিয়ে ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করে গড়ে তুলেছিলেন। বাড়ির ভাড়ার আয় দিয়ে ছেলের লেখাপড়ার খরচ বহন করেছেন এবং তাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। কিন্তু বিয়ের পর সেই ছেলেই বৃদ্ধা মাকে এবং আরেক ভাইকে বাড়ি থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে আয়েশা খাতুন বলেন, “আমি তাকে কত কষ্ট করে বড় করেছি। নিজের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে মানুষ করেছি। কখনো ভাবিনি, যার জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করেছি, সেই সন্তানই একদিন আমার সঙ্গে এমন আচরণ করবে।”
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, তিনটি বাড়ির আয়ের অর্থ দিয়ে শিক্ষিত হওয়া ছোট ছেলে আব্দুল মজিদ পরবর্তীতে মায়ের জমি নিজের নামে লিখিয়ে নেন। এরপর তিনি মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন এবং পরিবারের অন্য সদস্যদেরও সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করেন।
অন্য ভাইয়েরা দাবি করেন, “আমাদের সবার ছোট ভাই আব্দুল মজিদ আমাদের মায়ের সম্পদ দখল করে নিয়েছে। আমরা জমির কাছে গেলেও বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। সন্ত্রাসী দিয়ে উৎখাত করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।”
এছাড়া সম্পত্তি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে পরিবারের ষষ্ঠ ভাইকে জোরপূর্বক চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে মানসিকভাবে অসুস্থ করে তোলার অভিযোগও তুলেছেন তারা। পরে তাকেও বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে। তাদের দাবি, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হোক।
তবে অভিযুক্ত আব্দুল মজিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রকাশ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন