এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ক্ষমতায় যেতে হলে রাজনৈতিক দল ও ভোটের প্রয়োজন হয়, কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারকে সরে যেতে বাধ্য করতে ভোট কিংবা সংগঠিত দল—কোনোটিই অপরিহার্য নয়। তিনি দাবি করেন, একসময় যারা আন্দোলনের কেন্দ্রে ছিলেন বলে এখন নিজেদের তুলে ধরছেন, অতীতে সেই সময়ে তাদের অনেকেরই কোনো রাজনৈতিক শক্তি ছিল না, এমনকি কেউ কেউ দেশে উপস্থিতও ছিলেন না।
এবি পার্টি-র এই নেতা বলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই গণঅভ্যুত্থানের মূল শক্তি। রাজনৈতিক ইতিহাসে বহু উদাহরণ আছে যেখানে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ও দাবি থেকেই বড় পরিবর্তন এসেছে। তিনি মন্তব্য করেন, ক্ষমতায় যাওয়ার প্রক্রিয়া ও গণঅভ্যুত্থানের বাস্তবতা আলাদা—একটিতে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো জরুরি, অন্যটিতে জরুরি জনগণের আবেগ, পরিস্থিতি ও সময়ের দাবি।
মঞ্জু আরও বলেন, কোনো আন্দোলনের সাফল্যকে পরবর্তী সময়ে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীভিত্তিক কৃতিত্বে সীমাবদ্ধ করা ঠিক নয়। তাঁর মতে, বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পেছনে থাকে বিস্তৃত জনগোষ্ঠীর ভূমিকা, যা ইতিহাসে স্বীকৃত হওয়া উচিত। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেবল নির্বাচনী রাজনীতি নয়, মানুষের বাস্তব সমস্যা ও প্রত্যাশা বোঝার মাধ্যমেই দীর্ঘমেয়াদে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়।
তার বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য হিসেবে দেখছেন, আবার অন্যরা বলছেন, গণঅভ্যুত্থান ও নির্বাচনী রাজনীতির তুলনা করে বর্তমান রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক উসকে দেওয়া হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা ও অবস্থান স্পষ্ট করার ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে। ????️????

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ক্ষমতায় যেতে হলে রাজনৈতিক দল ও ভোটের প্রয়োজন হয়, কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারকে সরে যেতে বাধ্য করতে ভোট কিংবা সংগঠিত দল—কোনোটিই অপরিহার্য নয়। তিনি দাবি করেন, একসময় যারা আন্দোলনের কেন্দ্রে ছিলেন বলে এখন নিজেদের তুলে ধরছেন, অতীতে সেই সময়ে তাদের অনেকেরই কোনো রাজনৈতিক শক্তি ছিল না, এমনকি কেউ কেউ দেশে উপস্থিতও ছিলেন না।
এবি পার্টি-র এই নেতা বলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই গণঅভ্যুত্থানের মূল শক্তি। রাজনৈতিক ইতিহাসে বহু উদাহরণ আছে যেখানে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ ও দাবি থেকেই বড় পরিবর্তন এসেছে। তিনি মন্তব্য করেন, ক্ষমতায় যাওয়ার প্রক্রিয়া ও গণঅভ্যুত্থানের বাস্তবতা আলাদা—একটিতে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো জরুরি, অন্যটিতে জরুরি জনগণের আবেগ, পরিস্থিতি ও সময়ের দাবি।
মঞ্জু আরও বলেন, কোনো আন্দোলনের সাফল্যকে পরবর্তী সময়ে ব্যক্তি বা গোষ্ঠীভিত্তিক কৃতিত্বে সীমাবদ্ধ করা ঠিক নয়। তাঁর মতে, বড় রাজনৈতিক পরিবর্তনের পেছনে থাকে বিস্তৃত জনগোষ্ঠীর ভূমিকা, যা ইতিহাসে স্বীকৃত হওয়া উচিত। তিনি রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের সঙ্গে সংযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেবল নির্বাচনী রাজনীতি নয়, মানুষের বাস্তব সমস্যা ও প্রত্যাশা বোঝার মাধ্যমেই দীর্ঘমেয়াদে গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়।
তার বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ এটিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য হিসেবে দেখছেন, আবার অন্যরা বলছেন, গণঅভ্যুত্থান ও নির্বাচনী রাজনীতির তুলনা করে বর্তমান রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক উসকে দেওয়া হচ্ছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এমন বক্তব্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা ও অবস্থান স্পষ্ট করার ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলতে পারে। ????️????

আপনার মতামত লিখুন