বিএনপি তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে জনগণকে ধোকা দিচ্ছে - ফারুক হাসান, গণ-অধিকার পরিষদ অবশিষ্ট প্রর্থীকে অতি দ্রুত নিয়োগ প্রদান করে তাহলে সেটা তাদের কাছে আদৌ কোন কঠিন ও অসাধ্য কাজ হবেনা কারণ এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ ইতিপূর্বে তিন বছরের অগ্রিম শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করে রেখেছে।
আমাদের নিয়োগের বিষয়টি যেভাবে সহজতর করা সম্ভব্য নব সৃষ্ট পদ, শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত শূন্য পদ, নতুন এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানের পদ এবং অবসরের ফলে সৃষ্ট পদ যুক্ত করার মাধ্যমে।
আমাদের প্রত্যাশিত দুটি দাবি:
১। ১৮তম সনদধারী সকল প্রার্থীকে দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্য পদ যুক্ত করে সরাসরি সুপারিশ/এম গণবিজ্ঞপ্তি Cycle-2/৯ম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
২। নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের পূর্বে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থীদের মাধ্যমে বিষয়ভিত্তিক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে শূন্যপদে নিয়োগ দিতে হবে।
আপনারা জানেন, সারা দেশে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার অশিক্ষক সনাক্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত, যারা শিক্ষক নিবন্ধন ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জাল করে বিগত দেড় যুগেরও বেশি, সময় থেকে বিশেষ সুবিধা কোটায় শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও অর্থনীতিকে ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে পূর্বের ন্যায় সকল বোর্ডের পাশের হারের প্রতিযোগিতার খামার আর অথর্ব তলাবিহীন ঝুড়ির মত A+ এর বাম্পার ফলন বন্ধ করে ৫ আগষ্টের পরেই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে আশংকাজনক বিপর্যয় নেমেছে।
এছাড়াও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তীব্র শিক্ষক সংকট এবং গেস্ট টিচারের মাধ্যমে পাঠদান করা হচ্ছে। অথচ আমরা রাষ্ট্র কর্তৃক শিক্ষকতা পেশার জন্য যাচাইকৃত যোগ্য শিক্ষক আজ সুপারিশ বঞ্চিত থেকে পথে পথে ঘুরছি। এটা রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রের শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল নীতি নির্ধারকদের জন্য চরম অপমানজনক বিষয় বলে আমরা মনে করি।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এখনো পর্যন্ত লক্ষাধিক শিক্ষক পদ শূন্য থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১৯ লক্ষ প্রতিযোগীকে টপকে সর্বোচ্চ মেধার স্বাক্ষর রেখেও আমরা ৬ হাজার প্রার্থী সুপারিশ বঞ্চিত থেকে যাই এবং আমরা প্রচণ্ড হতাশা, মানসিক চাপ সহ পারিবারিক ও সামাজিক নিগ্রহের শিকার। যেহেতু নতুন পদ্ধতিতে ১৯ তম পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রদান করা হবে সুতরাং ১৮ তম নিয়োগ বঞ্চিত মাত্র ৬ হাজার প্রার্থীকে সরাসরি সুপারিশ/৭ম গণবিজ্ঞপ্তি Cycle-2/৯ম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান করার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ সহ জোর দাবি জানাচ্ছি।
আমরা অত্যন্ত বিনয়ের সাথে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষক নিয়োগ সংশ্লিষ্ট সকল উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো আমাদের যত দ্রুত সম্ভব নিয়োগ প্রদান করে শিক্ষার মানোন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ করে দিন।
সম্মানিত সকল অতিথিবৃন্দ, জাতীয় এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ-
আপনাদের বহুল প্রচারিত মাধ্যমে এই সংবাদটি প্রচারিত হলে আমাদের ৬ হাজার প্রার্থীর ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত হবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
সবশেষে, আপনাদের প্রতি আবারো আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
ধন্যবাদান্তে,
আমরা, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ বঞ্চিত প্রার্থীগণ।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
বিএনপি তাদের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে জনগণকে ধোকা দিচ্ছে - ফারুক হাসান, গণ-অধিকার পরিষদ অবশিষ্ট প্রর্থীকে অতি দ্রুত নিয়োগ প্রদান করে তাহলে সেটা তাদের কাছে আদৌ কোন কঠিন ও অসাধ্য কাজ হবেনা কারণ এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ ইতিপূর্বে তিন বছরের অগ্রিম শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করে রেখেছে।
আমাদের নিয়োগের বিষয়টি যেভাবে সহজতর করা সম্ভব্য নব সৃষ্ট পদ, শিক্ষকদের পদোন্নতির মাধ্যমে প্রাপ্ত শূন্য পদ, নতুন এমপিও ভুক্ত প্রতিষ্ঠানের পদ এবং অবসরের ফলে সৃষ্ট পদ যুক্ত করার মাধ্যমে।
আমাদের প্রত্যাশিত দুটি দাবি:
১। ১৮তম সনদধারী সকল প্রার্থীকে দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্য পদ যুক্ত করে সরাসরি সুপারিশ/এম গণবিজ্ঞপ্তি Cycle-2/৯ম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।
২। নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের পূর্বে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ নিয়োগ বঞ্চিত প্রার্থীদের মাধ্যমে বিষয়ভিত্তিক তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে শূন্যপদে নিয়োগ দিতে হবে।
আপনারা জানেন, সারা দেশে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হাজার হাজার অশিক্ষক সনাক্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত, যারা শিক্ষক নিবন্ধন ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ জাল করে বিগত দেড় যুগেরও বেশি, সময় থেকে বিশেষ সুবিধা কোটায় শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত হয়ে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও অর্থনীতিকে ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে পূর্বের ন্যায় সকল বোর্ডের পাশের হারের প্রতিযোগিতার খামার আর অথর্ব তলাবিহীন ঝুড়ির মত A+ এর বাম্পার ফলন বন্ধ করে ৫ আগষ্টের পরেই মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফলে আশংকাজনক বিপর্যয় নেমেছে।
এছাড়াও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তীব্র শিক্ষক সংকট এবং গেস্ট টিচারের মাধ্যমে পাঠদান করা হচ্ছে। অথচ আমরা রাষ্ট্র কর্তৃক শিক্ষকতা পেশার জন্য যাচাইকৃত যোগ্য শিক্ষক আজ সুপারিশ বঞ্চিত থেকে পথে পথে ঘুরছি। এটা রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রের শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সকল নীতি নির্ধারকদের জন্য চরম অপমানজনক বিষয় বলে আমরা মনে করি।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এখনো পর্যন্ত লক্ষাধিক শিক্ষক পদ শূন্য থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১৯ লক্ষ প্রতিযোগীকে টপকে সর্বোচ্চ মেধার স্বাক্ষর রেখেও আমরা ৬ হাজার প্রার্থী সুপারিশ বঞ্চিত থেকে যাই এবং আমরা প্রচণ্ড হতাশা, মানসিক চাপ সহ পারিবারিক ও সামাজিক নিগ্রহের শিকার। যেহেতু নতুন পদ্ধতিতে ১৯ তম পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রদান করা হবে সুতরাং ১৮ তম নিয়োগ বঞ্চিত মাত্র ৬ হাজার প্রার্থীকে সরাসরি সুপারিশ/৭ম গণবিজ্ঞপ্তি Cycle-2/৯ম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান করার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ সহ জোর দাবি জানাচ্ছি।
আমরা অত্যন্ত বিনয়ের সাথে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষক নিয়োগ সংশ্লিষ্ট সকল উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবো আমাদের যত দ্রুত সম্ভব নিয়োগ প্রদান করে শিক্ষার মানোন্নয়নে অবদান রাখার সুযোগ করে দিন।
সম্মানিত সকল অতিথিবৃন্দ, জাতীয় এবং স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিনিধিগণ-
আপনাদের বহুল প্রচারিত মাধ্যমে এই সংবাদটি প্রচারিত হলে আমাদের ৬ হাজার প্রার্থীর ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত হবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।
সবশেষে, আপনাদের প্রতি আবারো আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।
ধন্যবাদান্তে,
আমরা, ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে সুপারিশ বঞ্চিত প্রার্থীগণ।

আপনার মতামত লিখুন