রাজবাড়ীর ব্যস্ত সড়কে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৬৬ বছর বয়সী গৃহিণী সেলিনা মোজাম্মেল আক্তার ঝর্ণা। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজবাড়ী শহরের ব্যস্ততম পান্না চত্বর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সামান্য অসতর্কতার মুহূর্তেই চলন্ত রিকশার চাকার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গিয়ে ঘটে যায় হৃদয়বিদারক এই মৃত্যু।
নিহত সেলিনা মোজাম্মেল আক্তার ঝর্ণা
বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বার্তা ২৪–এর জেলা প্রতিনিধি সোহেল মিয়ার মা। তিনি বালিয়াকান্দি উপজেলার বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং প্রয়াত মোজাম্মেল হোসেন মিয়ার স্ত্রী। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জরুরি কাজে সকালে তিনি রাজবাড়ী কোর্ট এলাকায় আসেন। সেখানে মেয়ে ও জামাতাকে রেখে তিনি একাই রিকশায় করে রেলগেট এলাকার একটি হোটেলে নাস্তা করতে যাচ্ছিলেন।পথিমধ্যে চলন্ত রিকশায় বসা অবস্থায় তার গলায় থাকা ওড়না হঠাৎ চাকার সঙ্গে জড়িয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ওড়না শক্তভাবে পেঁচিয়ে গেলে তিনি রিকশা থেকে পড়ে যান এবং গুরুতর আহত হন। আশপাশের মানুষ দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
এই ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সবকিছু ঘটে যায় এবং কেউ ঠিকমতো বুঝে ওঠার আগেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্থানীয়রা বলছেন, চলন্ত রিকশা বা মোটরযানে বসার সময় ওড়না, শাড়ির আঁচল বা ঢিলেঢালা পোশাকের বিষয়ে সতর্ক না থাকলে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকি থাকে।
ঘটনার পর নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। পরিবারের সদস্যরা বলেন, খুব স্বাভাবিক একটি সকালেই তিনি বাসা থেকে বের হয়েছিলেন, কিন্তু আর জীবিত ফিরে আসেননি। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও জনসাধারণকে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
রাজবাড়ীর ব্যস্ত সড়কে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৬৬ বছর বয়সী গৃহিণী সেলিনা মোজাম্মেল আক্তার ঝর্ণা। সোমবার (৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজবাড়ী শহরের ব্যস্ততম পান্না চত্বর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সামান্য অসতর্কতার মুহূর্তেই চলন্ত রিকশার চাকার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গিয়ে ঘটে যায় হৃদয়বিদারক এই মৃত্যু।
নিহত সেলিনা মোজাম্মেল আক্তার ঝর্ণা বালিয়াকান্দি উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও বার্তা ২৪–এর জেলা প্রতিনিধি সোহেল মিয়ার মা। তিনি বালিয়াকান্দি উপজেলার বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং প্রয়াত মোজাম্মেল হোসেন মিয়ার স্ত্রী। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জরুরি কাজে সকালে তিনি রাজবাড়ী কোর্ট এলাকায় আসেন। সেখানে মেয়ে ও জামাতাকে রেখে তিনি একাই রিকশায় করে রেলগেট এলাকার একটি হোটেলে নাস্তা করতে যাচ্ছিলেন।
পথিমধ্যে চলন্ত রিকশায় বসা অবস্থায় তার গলায় থাকা ওড়না হঠাৎ চাকার সঙ্গে জড়িয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ওড়না শক্তভাবে পেঁচিয়ে গেলে তিনি রিকশা থেকে পড়ে যান এবং গুরুতর আহত হন। আশপাশের মানুষ দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে স্থানীয়রা জানান।
এই ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই সবকিছু ঘটে যায় এবং কেউ ঠিকমতো বুঝে ওঠার আগেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। স্থানীয়রা বলছেন, চলন্ত রিকশা বা মোটরযানে বসার সময় ওড়না, শাড়ির আঁচল বা ঢিলেঢালা পোশাকের বিষয়ে সতর্ক না থাকলে এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার ঝুঁকি থাকে।
ঘটনার পর নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। পরিবারের সদস্যরা বলেন, খুব স্বাভাবিক একটি সকালেই তিনি বাসা থেকে বের হয়েছিলেন, কিন্তু আর জীবিত ফিরে আসেননি। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা আবারও জনসাধারণকে সতর্ক থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন