⛽ জ্বালানি সংকটে পাম্প বন্ধ, রাস্তায় দীর্ঘ সারি — মন্ত্রীকে প্রশ্ন সংসদ সদস্যের
দেশে জ্বালানি সংকট নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং তেলের জন্য সড়কে দীর্ঘ গাড়ির সারি দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
তিনি সংসদে সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, “বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বলেছিলেন দেশে কোনও জ্বালানি সংকট নেই। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখছি ভিন্ন চিত্র। বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্প একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তেলের জন্য রাস্তায় দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। মন্ত্রী কি তা দেখতে পাচ্ছেন না?”
সংসদ সদস্য আরও অভিযোগ করেন, ধীরে ধীরে পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না। বিশেষ করে পরিবহন খাতে এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে। রাইড শেয়ারিং ও গণপরিবহনের গাড়িগুলো দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমরা বারবার দেখছি—রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ সারি। মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সরকার এই বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে।”
???? যে প্রভাবগুলো দেখা যাচ্ছে
বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে সরবরাহ কমে যাওয়া
তেল নিতে দীর্ঘ অপেক্ষা
পরিবহন সংকট বাড়ছে
যাত্রী ভোগান্তি বৃদ্ধি
ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রভাব
⚡ মূল প্রশ্ন
সংসদ সদস্য জানতে চান, বাস্তবে যদি সংকট থেকে থাকে, তাহলে এর দ্রুত সমাধানে সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—সরকার দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করবে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
⛽ জ্বালানি সংকটে পাম্প বন্ধ, রাস্তায় দীর্ঘ সারি — মন্ত্রীকে প্রশ্ন সংসদ সদস্যের
দেশে জ্বালানি সংকট নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক পেট্রোল পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং তেলের জন্য সড়কে দীর্ঘ গাড়ির সারি দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
তিনি সংসদে সম্পূরক প্রশ্নে বলেন, “বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী বলেছিলেন দেশে কোনও জ্বালানি সংকট নেই। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখছি ভিন্ন চিত্র। বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্প একের পর এক বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তেলের জন্য রাস্তায় দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। মন্ত্রী কি তা দেখতে পাচ্ছেন না?”
সংসদ সদস্য আরও অভিযোগ করেন, ধীরে ধীরে পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছেন না। বিশেষ করে পরিবহন খাতে এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠছে। রাইড শেয়ারিং ও গণপরিবহনের গাড়িগুলো দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমরা বারবার দেখছি—রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ সারি। মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সরকার এই বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে।”
???? যে প্রভাবগুলো দেখা যাচ্ছে
বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে সরবরাহ কমে যাওয়া
তেল নিতে দীর্ঘ অপেক্ষা
পরিবহন সংকট বাড়ছে
যাত্রী ভোগান্তি বৃদ্ধি
ব্যবসা-বাণিজ্যে প্রভাব
⚡ মূল প্রশ্ন
সংসদ সদস্য জানতে চান, বাস্তবে যদি সংকট থেকে থাকে, তাহলে এর দ্রুত সমাধানে সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—সরকার দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করবে।

আপনার মতামত লিখুন