ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

একটি বাতিল হলে অন্যটির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

গণভোট বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদ হুম'কির মুখে পড়বে — শিশির মনির

গণভোট বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদ হুম'কির মুখে পড়বে — শিশির মনির

গণভোট বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদ হুমকির মুখে পড়বে — শিশির মনির ????

মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল করা হলে দেশের নির্বাচিত সংসদ আইনগত জটিলতার মুখে পড়তে পারে। তিনি দাবি করেন, গণভোট অধ্যাদেশ এবং জাতীয় নির্বাচনের তফসিল পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত—তাই একটি বাতিল হলে অন্যটির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে হাইকোর্ট ভবন-এর এনেক্সের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-সমর্থিত আইনজীবীরা।

গণভোট ও সংসদের বৈধতা নিয়ে সতর্কবার্তা ⚖️

শিশির মনির বলেন, গণভোট অধ্যাদেশের ভিত্তিতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচন সংক্রান্ত কাঠামো তৈরি হয়েছে। যদি সেই অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়, তাহলে নির্বাচনের আইনি ভিত্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এর ফলে নির্বাচিত সংসদের বৈধতা আদালতে চ্যালেঞ্জ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সরকারের বিরুদ্ধে বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ ????

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারধর্মী অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তার দাবি অনুযায়ী, ২০টিরও বেশি অধ্যাদেশ কার্যকর না হওয়ায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না।

তিনি যেসব অধ্যাদেশের কথা উল্লেখ করেন, তার মধ্যে রয়েছে—

গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার অধ্যাদেশ

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ

তার মতে, এসব অধ্যাদেশ দেশের বিচারব্যবস্থা, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত।

সরকারের প্রতি আহ্বান ????

শিশির মনির সরকারকে এসব অধ্যাদেশ বাতিল বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংস্কারমূলক উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করলে জনগণের আস্থা বাড়বে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।

সম্ভাব্য প্রভাব কী?

বিশ্লেষকদের মতে, গণভোট সংক্রান্ত আইনি কাঠামো নিয়ে বিতর্ক বাড়লে নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। সংসদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আদালত, নির্বাচন কমিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নতুন করে মতবিরোধ দেখা দিতে পারে।

সারসংক্ষেপ:

গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে

২০টির বেশি সংস্কারধর্মী অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ

সরকারকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান

সম্ভাব্য রাজনৈতিক ও আইনি অস্থিরতার সতর্কতা

এই বক্তব্য এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে সামনে আরও বিতর্ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬


গণভোট বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদ হুম'কির মুখে পড়বে — শিশির মনির

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬

featured Image

গণভোট বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদ হুমকির মুখে পড়বে — শিশির মনির ????

মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল করা হলে দেশের নির্বাচিত সংসদ আইনগত জটিলতার মুখে পড়তে পারে। তিনি দাবি করেন, গণভোট অধ্যাদেশ এবং জাতীয় নির্বাচনের তফসিল পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত—তাই একটি বাতিল হলে অন্যটির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে হাইকোর্ট ভবন-এর এনেক্সের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি-সমর্থিত আইনজীবীরা।

গণভোট ও সংসদের বৈধতা নিয়ে সতর্কবার্তা ⚖️

শিশির মনির বলেন, গণভোট অধ্যাদেশের ভিত্তিতে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া ও নির্বাচন সংক্রান্ত কাঠামো তৈরি হয়েছে। যদি সেই অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়, তাহলে নির্বাচনের আইনি ভিত্তি দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এর ফলে নির্বাচিত সংসদের বৈধতা আদালতে চ্যালেঞ্জ হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।

তার মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সরকারের বিরুদ্ধে বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ ????

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারধর্মী অধ্যাদেশ বাস্তবায়নে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। তার দাবি অনুযায়ী, ২০টিরও বেশি অধ্যাদেশ কার্যকর না হওয়ায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না।

তিনি যেসব অধ্যাদেশের কথা উল্লেখ করেন, তার মধ্যে রয়েছে—

গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার অধ্যাদেশ

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ

সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ

তার মতে, এসব অধ্যাদেশ দেশের বিচারব্যবস্থা, মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত।

সরকারের প্রতি আহ্বান ????

শিশির মনির সরকারকে এসব অধ্যাদেশ বাতিল বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংস্কারমূলক উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করলে জনগণের আস্থা বাড়বে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে।

সম্ভাব্য প্রভাব কী?

বিশ্লেষকদের মতে, গণভোট সংক্রান্ত আইনি কাঠামো নিয়ে বিতর্ক বাড়লে নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল হতে পারে। সংসদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে আদালত, নির্বাচন কমিশন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নতুন করে মতবিরোধ দেখা দিতে পারে।

সারসংক্ষেপ:

গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল হলে নির্বাচিত সংসদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে

২০টির বেশি সংস্কারধর্মী অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না করার অভিযোগ

সরকারকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান

সম্ভাব্য রাজনৈতিক ও আইনি অস্থিরতার সতর্কতা

এই বক্তব্য এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে সামনে আরও বিতর্ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল