পদ্মায় বাসডুবিতে প্রাণ গেল রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার ????
২০১৩ সালের ভয়াবহ রানা প্লাজা ধস থেকে প্রাণে বেঁচে ফিরেছিলেন নাসিমা বেগম। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—বছর কয়েক পর আরেক দুর্ঘটনায় তার জীবন থেমে গেল। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বাস ডুবে পদ্মা নদীতে তিনি মারা গেছেন।
নিহত নাসিমা বেগম (৪০) দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার ৪ নম্বর পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য আটরাই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী। একই দুর্ঘটনায় তার আরও দুই স্বজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
কীভাবে ঘটল ঘটনা[TECHTARANGA-POST:
জীবিকার সন্ধানে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকার সাভার এলাকায় ভাগনি আজমিরা খাতুনের বাড়িতে যান
প্রায় এক মাস চেষ্টা করেও চাকরি পাননি
ঈদ উপলক্ষে তিনি আজমিরার শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন
পথে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বাস দুর্ঘটনায় পড়ে পদ্মা নদীতে ডুবে যায়
এতে নাসিমা বেগমসহ তিনজনের মৃত্যু হয়
নাসিমা বেগম ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসে গুরুতর আহত হলেও দীর্ঘ চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ওঠেন। জীবনের নতুন শুরু করার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু সাম্প্রতিক এই দুর্ঘটনায় তার জীবনসংগ্রাম চিরতরে থেমে গেল।
গ্রামের বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের ভাষ্য—একবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেও শেষ পর্যন্ত দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তার জীবন।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
পদ্মায় বাসডুবিতে প্রাণ গেল রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার ????
২০১৩ সালের ভয়াবহ রানা প্লাজা ধস থেকে প্রাণে বেঁচে ফিরেছিলেন নাসিমা বেগম। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস—বছর কয়েক পর আরেক দুর্ঘটনায় তার জীবন থেমে গেল। রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বাস ডুবে পদ্মা নদীতে তিনি মারা গেছেন।
নিহত নাসিমা বেগম (৪০) দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার ৪ নম্বর পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য আটরাই গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী। একই দুর্ঘটনায় তার আরও দুই স্বজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
কীভাবে ঘটল ঘটনা[TECHTARANGA-POST:
জীবিকার সন্ধানে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তিনি ঢাকার সাভার এলাকায় ভাগনি আজমিরা খাতুনের বাড়িতে যান
প্রায় এক মাস চেষ্টা করেও চাকরি পাননি
ঈদ উপলক্ষে তিনি আজমিরার শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুর যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন
পথে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় বাস দুর্ঘটনায় পড়ে পদ্মা নদীতে ডুবে যায়
এতে নাসিমা বেগমসহ তিনজনের মৃত্যু হয়
নাসিমা বেগম ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসে গুরুতর আহত হলেও দীর্ঘ চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে ওঠেন। জীবনের নতুন শুরু করার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু সাম্প্রতিক এই দুর্ঘটনায় তার জীবনসংগ্রাম চিরতরে থেমে গেল।
গ্রামের বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের ভাষ্য—একবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেও শেষ পর্যন্ত দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তার জীবন।

আপনার মতামত লিখুন