ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বাবা জহিরুল ইসলাম বিরুদ্ধে দুই মাসের জারিফা নামের এক কন্যা সন্তানকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পাষণ্ড বাবা কে আটক করেছে পুলিশ, আজ রবিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নে পাঠামারা গ্রামের এই ঘটনা ঘটে। ঘাতক পিতার বাড়ি উপজেলার দরিয়াদৌলত গ্রামে,তার পিতার নাম শফিক মিয়া।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ছলিমাবাদ গ্রামের ফরিদ মিয়ার মেয়ে জাকিয়া আক্তারের সাথে দরিয়াদৌলত গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম সাথে বিয়ে হয়ে গত ২৪ সালে। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য জাকিয়া আক্তারকে নানা ভাবে মানসিক ও শারীরিক নিযাতন করে আসছিল, গত বছরের রমজান মাসে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে জাকিয়াকে ছেলের বাড়িতে পাঠানো হয়, এই সময় ছেলে ঢাকায় কর্মরত থাকায় সেখানেই মেয়ে একমাস থাকার পর আবার তাকে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, ছেলে এই মেয়ের সংসার করবে না বলে জানায় এ সময় মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা বলে জানার পর, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি গ্রাম্য মাতাব্বরা, গত দুই মাস আগে জাকিয়া আক্তার কন্যা সন্তান জন্ম দেয়, বাবা মেয়েকে দেখার কথা বলে শনিবার ঈদের দিন শুশুরবাড়িতে আসে এবং রবিবার সকাল সাড়ে আটটায় সময় মা মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে বাবার কোলে দিয়ে নাস্তা বানাতে গেলে এসে দেখে মেয়ে মৃত অবস্থা বিছানায় পড়ে আছে, পাশেই পাষন্ড বাবা বসে ছিল, পরে পরিবার থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে পাশন্ড বাবাকে জিঙ্গাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
পাঠামারা গ্রামের ধন মিয়া জানান, মেয়েটির বিয়ের পর থেকেই জামাই নানা ভাবে মেয়েটিকে নির্যাতন করে আসছিল এবং সংসার করবে না বলে বলে আসছিল আমরা বিভিন্ন সময় সালিশ করেছি সর্বশেষ গত রমজান মাসের শালিশ করে মেয়েকে ছেলের সাথে তাদের বাড়িতে পাঠাই এক মাস থাকার পর মেয়েটিকে আবার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় ছেলে এবং মেয়েকে তালাক দেবে বলে সে জানায় পরে মেয়েটি অন্তঃসত্তা বলে জানালে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেইনি। গত দুই মাস আগে মেয়েটি কন্যা সন্তান জন্ম দেয়। গতকাল শনিবার মেয়েকে দেখার কথা বলে শুশুরবাড়ি আসে। আজকে সাড়ে আটটার সময় মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে নাস্তা বানাতে গেলে মা এসে মেয়ে বাচ্চাটিকে মৃত অবস্থায় পায়। মেয়ের পাশেই ছিল বাবা, বিষয়টি সন্দেহ হলে পুলিশের খবর দেয়া হয়,পুলিশ এসে বাবাকে আটক করেছে।
বাঞ্ছারামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইয়াসিন মিয়া জানান, ঘটনা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত এখনো জানিনা জেনে জানাতে পারব।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মার্চ ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে বাবা জহিরুল ইসলাম বিরুদ্ধে দুই মাসের জারিফা নামের এক কন্যা সন্তানকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় পাষণ্ড বাবা কে আটক করেছে পুলিশ, আজ রবিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নে পাঠামারা গ্রামের এই ঘটনা ঘটে। ঘাতক পিতার বাড়ি উপজেলার দরিয়াদৌলত গ্রামে,তার পিতার নাম শফিক মিয়া।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার ছলিমাবাদ গ্রামের ফরিদ মিয়ার মেয়ে জাকিয়া আক্তারের সাথে দরিয়াদৌলত গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম সাথে বিয়ে হয়ে গত ২৪ সালে। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের জন্য জাকিয়া আক্তারকে নানা ভাবে মানসিক ও শারীরিক নিযাতন করে আসছিল, গত বছরের রমজান মাসে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে জাকিয়াকে ছেলের বাড়িতে পাঠানো হয়, এই সময় ছেলে ঢাকায় কর্মরত থাকায় সেখানেই মেয়ে একমাস থাকার পর আবার তাকে তার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, ছেলে এই মেয়ের সংসার করবে না বলে জানায় এ সময় মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা বলে জানার পর, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়নি গ্রাম্য মাতাব্বরা, গত দুই মাস আগে জাকিয়া আক্তার কন্যা সন্তান জন্ম দেয়, বাবা মেয়েকে দেখার কথা বলে শনিবার ঈদের দিন শুশুরবাড়িতে আসে এবং রবিবার সকাল সাড়ে আটটায় সময় মা মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে বাবার কোলে দিয়ে নাস্তা বানাতে গেলে এসে দেখে মেয়ে মৃত অবস্থা বিছানায় পড়ে আছে, পাশেই পাষন্ড বাবা বসে ছিল, পরে পরিবার থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে পাশন্ড বাবাকে জিঙ্গাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
পাঠামারা গ্রামের ধন মিয়া জানান, মেয়েটির বিয়ের পর থেকেই জামাই নানা ভাবে মেয়েটিকে নির্যাতন করে আসছিল এবং সংসার করবে না বলে বলে আসছিল আমরা বিভিন্ন সময় সালিশ করেছি সর্বশেষ গত রমজান মাসের শালিশ করে মেয়েকে ছেলের সাথে তাদের বাড়িতে পাঠাই এক মাস থাকার পর মেয়েটিকে আবার বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় ছেলে এবং মেয়েকে তালাক দেবে বলে সে জানায় পরে মেয়েটি অন্তঃসত্তা বলে জানালে আমরা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেইনি। গত দুই মাস আগে মেয়েটি কন্যা সন্তান জন্ম দেয়। গতকাল শনিবার মেয়েকে দেখার কথা বলে শুশুরবাড়ি আসে। আজকে সাড়ে আটটার সময় মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে নাস্তা বানাতে গেলে মা এসে মেয়ে বাচ্চাটিকে মৃত অবস্থায় পায়। মেয়ের পাশেই ছিল বাবা, বিষয়টি সন্দেহ হলে পুলিশের খবর দেয়া হয়,পুলিশ এসে বাবাকে আটক করেছে।
বাঞ্ছারামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ ইয়াসিন মিয়া জানান, ঘটনা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত এখনো জানিনা জেনে জানাতে পারব।

আপনার মতামত লিখুন