ছোটপর্দার পরিচিত মুখ অভিনেতা জাহের আলভী–এর স্ত্রী ইকরা আর নেই। পরিবারের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরিবারের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, দুপুর দেড়টার দিকে বাসায় ঘটনাটি ঘটে। পরে স্বজনরা বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। তবে ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা শোকাহত ও ভেঙে পড়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ভক্ত ও সহকর্মীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে আসে। অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে সমবেদনা জানিয়েছেন।
আত্মহত্যা একটি জটিল ও সংবেদনশীল বিষয়। মানসিক চাপ, ব্যক্তিগত সংকট কিংবা অন্য নানা কারণে এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে—তবে সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে।
যদি কেউ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বোধ করেন বা আত্মহানির চিন্তা আসে, তাহলে দ্রুত পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা পেশাদার কাউন্সেলরের সঙ্গে যোগাযোগ করা জরুরি। সময়মতো সহায়তা অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করতে পারে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছোটপর্দার পরিচিত মুখ অভিনেতা জাহের আলভী–এর স্ত্রী ইকরা আর নেই। পরিবারের দাবি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। শ্বশুরবাড়ির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরিবারের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, দুপুর দেড়টার দিকে বাসায় ঘটনাটি ঘটে। পরে স্বজনরা বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। তবে ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।
এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা শোকাহত ও ভেঙে পড়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ভক্ত ও সহকর্মীদের মধ্যেও শোকের ছায়া নেমে আসে। অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে সমবেদনা জানিয়েছেন।
আত্মহত্যা একটি জটিল ও সংবেদনশীল বিষয়। মানসিক চাপ, ব্যক্তিগত সংকট কিংবা অন্য নানা কারণে এমন ঘটনা ঘটে থাকতে পারে—তবে সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে।
যদি কেউ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বোধ করেন বা আত্মহানির চিন্তা আসে, তাহলে দ্রুত পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা পেশাদার কাউন্সেলরের সঙ্গে যোগাযোগ করা জরুরি। সময়মতো সহায়তা অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন