এক বছরে দুই রমজান, তিন ঈদের সম্ভাবনা ২০৩০ সালে
চন্দ্র ও সৌর বর্ষপঞ্জির পার্থক্যের কারণে ২০৩০ সালে একই ইংরেজি বছরে দুইবার রমজান ও তিনটি ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জ্যোতির্বিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওই বছরে জানুয়ারিতে একবার এবং ডিসেম্বরে আরেকবার রমজান মাস শুরু হতে পারে।
ইসলামিক বর্ষপঞ্জি বা হিজরি সাল চাঁদের ওপর নির্ভরশীল। একটি চন্দ্র বছর সাধারণত ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিনের হয়। অন্যদিকে গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি ৩৬৫ বা ৩৬৬ দিনের। ফলে প্রতি বছর প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন করে রমজান এগিয়ে আসে। এই ধারাবাহিক পার্থক্যের ফলেই প্রায় ৩৩ বছর পরপর একই ইংরেজি বছরে দুইবার রমজান পড়ার ঘটনা ঘটে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের শুরুতেই একটি রমজান মাস পড়তে পারে, যার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির শুরুতে। এরপর বছরের মাঝামাঝি সময়ে পালিত হবে ঈদুল আজহা। আর বছরের শেষ দিকে, ডিসেম্বরে আবারও শুরু হতে পারে নতুন রমজান, যার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে ২০৩১ সালের শুরুতে।
এভাবে ২০৩০ সালে সম্ভাব্যভাবে তিনটি ঈদ উদযাপনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—দুটি ঈদুল ফিতর এবং একটি ঈদুল আজহা। তবে এর অর্থ এই নয় যে এক বছরে টানা ৩৬টি রোজা রাখতে হবে। দুটি আলাদা হিজরি বছরের অংশ ইংরেজি ২০৩০ সালের মধ্যে পড়বে—ফলে দুটি রমজানের কিছু অংশ ওই বছরের মধ্যে থাকবে।
বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত গ্লোবাল ইসলামিক ক্যালেন্ডারেও ২০৩০ সালে দুইবার রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনার উল্লেখ রয়েছে। তবে চূড়ান্তভাবে রমজান ও ঈদের তারিখ নির্ধারণ করা হয় চাঁদ দেখার ভিত্তিতে। বাংলাদেশে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
এদিকে জ্যোতির্বিদরা বলছেন, একই কারণে ২০৩৩ সালেও অনুরূপ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। যদিও চাঁদ দেখার তারতম্যের কারণে দেশভেদে তারিখ এক বা দুই দিন ভিন্ন হতে পারে।
সব মিলিয়ে, ২০৩০ সাল মুসলিম বিশ্বে ক্যালেন্ডারগত দিক থেকে একটি ব্যতিক্রমী বছর হতে যাচ্ছে—যেখানে এক ইংরেজি বছরের মধ্যেই দুইবার রমজান ও তিনটি ঈদের সম্ভাবনা রয়েছে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এক বছরে দুই রমজান, তিন ঈদের সম্ভাবনা ২০৩০ সালে
চন্দ্র ও সৌর বর্ষপঞ্জির পার্থক্যের কারণে ২০৩০ সালে একই ইংরেজি বছরে দুইবার রমজান ও তিনটি ঈদ উদযাপনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জ্যোতির্বিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ওই বছরে জানুয়ারিতে একবার এবং ডিসেম্বরে আরেকবার রমজান মাস শুরু হতে পারে।
ইসলামিক বর্ষপঞ্জি বা হিজরি সাল চাঁদের ওপর নির্ভরশীল। একটি চন্দ্র বছর সাধারণত ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিনের হয়। অন্যদিকে গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি ৩৬৫ বা ৩৬৬ দিনের। ফলে প্রতি বছর প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন করে রমজান এগিয়ে আসে। এই ধারাবাহিক পার্থক্যের ফলেই প্রায় ৩৩ বছর পরপর একই ইংরেজি বছরে দুইবার রমজান পড়ার ঘটনা ঘটে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের শুরুতেই একটি রমজান মাস পড়তে পারে, যার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির শুরুতে। এরপর বছরের মাঝামাঝি সময়ে পালিত হবে ঈদুল আজহা। আর বছরের শেষ দিকে, ডিসেম্বরে আবারও শুরু হতে পারে নতুন রমজান, যার ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে ২০৩১ সালের শুরুতে।
এভাবে ২০৩০ সালে সম্ভাব্যভাবে তিনটি ঈদ উদযাপনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে—দুটি ঈদুল ফিতর এবং একটি ঈদুল আজহা। তবে এর অর্থ এই নয় যে এক বছরে টানা ৩৬টি রোজা রাখতে হবে। দুটি আলাদা হিজরি বছরের অংশ ইংরেজি ২০৩০ সালের মধ্যে পড়বে—ফলে দুটি রমজানের কিছু অংশ ওই বছরের মধ্যে থাকবে।
বিশ্বব্যাপী প্রকাশিত গ্লোবাল ইসলামিক ক্যালেন্ডারেও ২০৩০ সালে দুইবার রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনার উল্লেখ রয়েছে। তবে চূড়ান্তভাবে রমজান ও ঈদের তারিখ নির্ধারণ করা হয় চাঁদ দেখার ভিত্তিতে। বাংলাদেশে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি।
এদিকে জ্যোতির্বিদরা বলছেন, একই কারণে ২০৩৩ সালেও অনুরূপ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। যদিও চাঁদ দেখার তারতম্যের কারণে দেশভেদে তারিখ এক বা দুই দিন ভিন্ন হতে পারে।
সব মিলিয়ে, ২০৩০ সাল মুসলিম বিশ্বে ক্যালেন্ডারগত দিক থেকে একটি ব্যতিক্রমী বছর হতে যাচ্ছে—যেখানে এক ইংরেজি বছরের মধ্যেই দুইবার রমজান ও তিনটি ঈদের সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন