মিরানশাহ ও স্পিনওয়াম এলাকায় সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আফগান গণমাধ্যম TOLOnews-এর বরাতে এ তথ্য জানায় Al Jazeera।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর অভিযানের জবাবে এই হামলা চালানো হয়। তালেবান সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানের বিমান হামলায় ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
তবে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, মিরানশাহ ও স্পিনওয়াম—উত্তর ওয়াজিরিস্তান অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা—সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত নিরাপত্তা, সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা এবং পারস্পরিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ নিয়ে উত্তেজনা চলছে। বিশেষ করে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফেরার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের ভেতরে সশস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করে সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক অভিযানের সমালোচনা করে থাকে।
সাম্প্রতিক এই ড্রোন হামলার ঘটনা দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে নতুন করে উসকে দিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উভয় পক্ষের কূটনৈতিক সংলাপ জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসছে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মিরানশাহ ও স্পিনওয়াম এলাকায় সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আফগান গণমাধ্যম TOLOnews-এর বরাতে এ তথ্য জানায় Al Jazeera।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর অভিযানের জবাবে এই হামলা চালানো হয়। তালেবান সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তানের বিমান হামলায় ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার পরই পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
তবে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, মিরানশাহ ও স্পিনওয়াম—উত্তর ওয়াজিরিস্তান অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা—সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত নিরাপত্তা, সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা এবং পারস্পরিক অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ নিয়ে উত্তেজনা চলছে। বিশেষ করে তালেবান আফগানিস্তানের ক্ষমতায় ফেরার পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও জটিল হয়ে উঠেছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ করে আসছে, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের ভেতরে সশস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে। অন্যদিকে কাবুল এ অভিযোগ অস্বীকার করে সীমান্তে পাকিস্তানের সামরিক অভিযানের সমালোচনা করে থাকে।
সাম্প্রতিক এই ড্রোন হামলার ঘটনা দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনাকে নতুন করে উসকে দিতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উভয় পক্ষের কূটনৈতিক সংলাপ জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে আসছে।

আপনার মতামত লিখুন