ইরানের আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কোরআন বিশেষজ্ঞ শায়েখ সাদ সাইফুল্লাহ মাদানী (হাফিযাহুল্লাহ)।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম Al‑Kawthar TV-এ প্রচারিত জনপ্রিয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘ইন্না লিল মুত্তাকীনা মাফাযা’-র অধীনে আয়োজিত ১৯তম আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা–২০২৬-এ বিচারক হিসেবে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
শায়েখ সাদ সাইফুল্লাহ মাদানী বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা বাংলাদেশ-এর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কোরআন তিলাওয়াত, তাজবিদ ও ক্বিরাত শিক্ষায় তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। দেশ-বিদেশের বহু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ ও বিচারকের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কারণে তিনি মুসলিম বিশ্বে সুপরিচিত।
‘ইন্না লিল মুত্তাকীনা মাফাযা’ অনুষ্ঠানটি কোরআন তিলাওয়াতপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিযোগীরা এতে অংশ নেন। তিলাওয়াতের শুদ্ধতা, তাজবিদ, মাখরাজ ও কণ্ঠসৌন্দর্যের ভিত্তিতে বিচারকরা প্রতিযোগীদের মূল্যায়ন করেন।
বাংলাদেশের একজন আলেম আন্তর্জাতিক এ মঞ্চে বিচারকের দায়িত্ব পাওয়ায় ধর্মীয় অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি দেশের কোরআন তিলাওয়াত অঙ্গনের জন্য একটি গৌরবজনক অর্জন।

রোববার, ০৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ইরানের আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পেয়েছেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট কোরআন বিশেষজ্ঞ শায়েখ সাদ সাইফুল্লাহ মাদানী (হাফিযাহুল্লাহ)।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম Al‑Kawthar TV-এ প্রচারিত জনপ্রিয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ‘ইন্না লিল মুত্তাকীনা মাফাযা’-র অধীনে আয়োজিত ১৯তম আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা–২০২৬-এ বিচারক হিসেবে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
শায়েখ সাদ সাইফুল্লাহ মাদানী বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্বিরাত সংস্থা বাংলাদেশ-এর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কোরআন তিলাওয়াত, তাজবিদ ও ক্বিরাত শিক্ষায় তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। দেশ-বিদেশের বহু আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ ও বিচারকের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কারণে তিনি মুসলিম বিশ্বে সুপরিচিত।
‘ইন্না লিল মুত্তাকীনা মাফাযা’ অনুষ্ঠানটি কোরআন তিলাওয়াতপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিযোগীরা এতে অংশ নেন। তিলাওয়াতের শুদ্ধতা, তাজবিদ, মাখরাজ ও কণ্ঠসৌন্দর্যের ভিত্তিতে বিচারকরা প্রতিযোগীদের মূল্যায়ন করেন।
বাংলাদেশের একজন আলেম আন্তর্জাতিক এ মঞ্চে বিচারকের দায়িত্ব পাওয়ায় ধর্মীয় অঙ্গনে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এটি দেশের কোরআন তিলাওয়াত অঙ্গনের জন্য একটি গৌরবজনক অর্জন।

আপনার মতামত লিখুন