পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম খান কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
কারা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে কারাগারে হঠাৎ শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন শফিকুল ইসলাম খান। তার অবস্থা গুরুতর মনে হলে তাৎক্ষণিকভাবে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে পটুয়াখালীর স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম)-এ স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শফিকুল ইসলাম খান দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মৃত হাবিবুর রহমান খানের ছেলে। ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা অবস্থায় তিনি দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি পরিচিত মুখ ছিলেন।
তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। পরিবার ও স্বজনরা হাসপাতালের মর্গে উপস্থিত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। কারা হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে নানা প্রশ্নও উঠেছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম খান কারাগারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) অসুস্থ হয়ে পড়ার পর তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
কারা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকালে কারাগারে হঠাৎ শারীরিক অসুস্থতা অনুভব করেন শফিকুল ইসলাম খান। তার অবস্থা গুরুতর মনে হলে তাৎক্ষণিকভাবে কারা কর্তৃপক্ষ তাকে পটুয়াখালীর স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম)-এ স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শফিকুল ইসলাম খান দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মৃত হাবিবুর রহমান খানের ছেলে। ছাত্র রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা অবস্থায় তিনি দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি পরিচিত মুখ ছিলেন।
তার মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। ময়নাতদন্ত করা হবে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। পরিবার ও স্বজনরা হাসপাতালের মর্গে উপস্থিত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। কারা হেফাজতে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে নানা প্রশ্নও উঠেছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন