আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এ বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাজুল ইসলামকে। তার পরিবর্তে নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
তাজুল ইসলাম দীর্ঘ সময় ধরে আইসিটির চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার সময়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধাপরাধ মামলার কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং বেশ কিছু মামলার রায়ও ঘোষণা করা হয়। ফলে তার অপসারণ ও নতুন নিয়োগ—দুই ঘটনাই আইন অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম এর আগে আইন পেশায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সংশ্লিষ্ট আইনি কাঠামো নিয়ে তার অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে জানা গেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর ট্রাইব্যুনালের চলমান মামলাগুলোর অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আইসিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব পরিবর্তন মামলার কৌশল, অগ্রাধিকার এবং পরিচালনাগত দিকগুলোতে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম যেন স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও আইনের শাসনের ভিত্তিতে অব্যাহত থাকে—সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।
এ বিষয়ে সরকার বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত বক্তব্য এলে আরও পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি)-এ বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাজুল ইসলামকে। তার পরিবর্তে নতুন চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারির বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
তাজুল ইসলাম দীর্ঘ সময় ধরে আইসিটির চিফ প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার সময়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধাপরাধ মামলার কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং বেশ কিছু মামলার রায়ও ঘোষণা করা হয়। ফলে তার অপসারণ ও নতুন নিয়োগ—দুই ঘটনাই আইন অঙ্গনে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম এর আগে আইন পেশায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও সংশ্লিষ্ট আইনি কাঠামো নিয়ে তার অভিজ্ঞতা রয়েছে বলে জানা গেছে। দায়িত্ব গ্রহণের পর ট্রাইব্যুনালের চলমান মামলাগুলোর অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ কার্যক্রম কীভাবে এগোবে, তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আইসিটির মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে নেতৃত্ব পরিবর্তন মামলার কৌশল, অগ্রাধিকার এবং পরিচালনাগত দিকগুলোতে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম যেন স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও আইনের শাসনের ভিত্তিতে অব্যাহত থাকে—সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।
এ বিষয়ে সরকার বা ট্রাইব্যুনাল কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিস্তারিত বক্তব্য এলে আরও পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন