ডি এস কে টিভি চ্যানেল

ভাষণে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

অনিয়মের সি'ন্ডিকেট ভে'ঙে দিতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধানমন্ত্রী

অনিয়মের সি'ন্ডিকেট ভে'ঙে দিতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধানমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত

অনিয়মের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধানমন্ত্রী

দলীয় বা রাজনৈতিক প্রভাব নয়, রাষ্ট্র পরিচালনায় আইনের শাসনই হবে শেষ কথা— দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার সন্ধ্যায় টেলিভিশন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচারিত ভাষণে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি খাতে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। “কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় প্রভাব কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্ক— কোনো কিছুই অপরাধ আড়াল করতে পারবে না,” বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রশাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো এবং আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হবে। সরকারি ক্রয়, নিয়োগ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও প্রভাবশালী চক্রের কারণে সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এসব চক্র ভেঙে দিয়ে জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণে ব্যয় নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। “রাষ্ট্র হবে নাগরিকের, কোনো গোষ্ঠীর নয়,”— এমন মন্তব্যও করেন প্রধানমন্ত্রী।

ভাষণে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দুর্নীতি দমন সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে প্রশাসনের সকল স্তরে দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও শক্তিশালী ভূমিকা নিশ্চিত করা হবে। দ্রুত বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধের নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার নেওয়া হবে।

অর্থনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য সুশাসন অত্যাবশ্যক। অনিয়ম বন্ধ হলে উন্নয়ন প্রকল্পের গতি বাড়বে এবং রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের অপচয় কমবে।

তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষসহ সকল দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জাতীয় স্বার্থে দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানে ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। মতপার্থক্য থাকলেও রাষ্ট্র ও জনগণের প্রশ্নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

ভাষণের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “সুশাসন প্রতিষ্ঠা একদিনে সম্ভব নয়। তবে আমরা শুরু করেছি। জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণ থাকলে অনিয়মের অন্ধকার দূর করেই একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।”

সরকারের এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ কত দ্রুত দৃশ্যমান হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬


অনিয়মের সি'ন্ডিকেট ভে'ঙে দিতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

অনিয়মের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধানমন্ত্রী

দলীয় বা রাজনৈতিক প্রভাব নয়, রাষ্ট্র পরিচালনায় আইনের শাসনই হবে শেষ কথা— দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার সন্ধ্যায় টেলিভিশন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচারিত ভাষণে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি খাতে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা অনিয়ম ও দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর। “কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নন। রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় প্রভাব কিংবা ব্যক্তিগত সম্পর্ক— কোনো কিছুই অপরাধ আড়াল করতে পারবে না,” বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রশাসন, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, অবকাঠামো এবং আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হবে। সরকারি ক্রয়, নিয়োগ ও প্রকল্প বাস্তবায়নে ডিজিটাল পর্যবেক্ষণ জোরদার করার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতি ও প্রভাবশালী চক্রের কারণে সাধারণ মানুষ সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এসব চক্র ভেঙে দিয়ে জনগণের অর্থ জনগণের কল্যাণে ব্যয় নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। “রাষ্ট্র হবে নাগরিকের, কোনো গোষ্ঠীর নয়,”— এমন মন্তব্যও করেন প্রধানমন্ত্রী।

ভাষণে তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দুর্নীতি দমন সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে প্রশাসনের সকল স্তরে দায়িত্বশীলতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও শক্তিশালী ভূমিকা নিশ্চিত করা হবে। দ্রুত বিচার, সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধের নিরপেক্ষ নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার নেওয়া হবে।

অর্থনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য সুশাসন অত্যাবশ্যক। অনিয়ম বন্ধ হলে উন্নয়ন প্রকল্পের গতি বাড়বে এবং রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের অপচয় কমবে।

তিনি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষসহ সকল দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, জাতীয় স্বার্থে দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানে ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। মতপার্থক্য থাকলেও রাষ্ট্র ও জনগণের প্রশ্নে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।

ভাষণের শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করে বলেন, “সুশাসন প্রতিষ্ঠা একদিনে সম্ভব নয়। তবে আমরা শুরু করেছি। জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণ থাকলে অনিয়মের অন্ধকার দূর করেই একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।”

সরকারের এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ কত দ্রুত দৃশ্যমান হয়, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল