বিকেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন আমিনুল হক। সন্ধ্যায় মিরপুরের বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের দুই বড় তারকা— সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা–কে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর দ্রুত ও সুষ্ঠু নিষ্পত্তি হলে তাদের আবার দেশের ক্রিকেটে ফেরানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, আইনি জটিলতা কেটে গেলে ক্রীড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।
আমিনুল হক জানান, “আমরা চাই দেশের সেরা খেলোয়াড়রা মাঠে থাকুক। তবে আইনের প্রক্রিয়া শেষ হওয়া জরুরি। মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি হলে সংশ্লিষ্ট বোর্ড ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব।”
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রেখে জাতীয় স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে সরকারের অগ্রাধিকার। ক্রীড়াঙ্গনে শৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিত করার কথাও উল্লেখ করেন নতুন প্রতিমন্ত্রী।
দেশের ক্রিকেটে সাকিব ও মাশরাফির অবদান অনস্বীকার্য। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের নেতৃত্ব ও পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে পরিচিত করেছেন। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকারের অবস্থান ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এদিকে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট মহলে ধারণা করা হচ্ছে, আইনি প্রক্রিয়ার অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে দুই তারকার মাঠে ফেরার সম্ভাবনা।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিকেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এলেন আমিনুল হক। সন্ধ্যায় মিরপুরের বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের দুই বড় তারকা— সাকিব আল হাসান ও মাশরাফি বিন মুর্তজা–কে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি।
জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, দুই ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর দ্রুত ও সুষ্ঠু নিষ্পত্তি হলে তাদের আবার দেশের ক্রিকেটে ফেরানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, আইনি জটিলতা কেটে গেলে ক্রীড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।
আমিনুল হক জানান, “আমরা চাই দেশের সেরা খেলোয়াড়রা মাঠে থাকুক। তবে আইনের প্রক্রিয়া শেষ হওয়া জরুরি। মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি হলে সংশ্লিষ্ট বোর্ড ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব।”
তিনি আরও বলেন, খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরে রেখে জাতীয় স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়াই হবে সরকারের অগ্রাধিকার। ক্রীড়াঙ্গনে শৃঙ্খলা ও সুশাসন নিশ্চিত করার কথাও উল্লেখ করেন নতুন প্রতিমন্ত্রী।
দেশের ক্রিকেটে সাকিব ও মাশরাফির অবদান অনস্বীকার্য। দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলের নেতৃত্ব ও পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে পরিচিত করেছেন। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সরকারের অবস্থান ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এদিকে ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট মহলে ধারণা করা হচ্ছে, আইনি প্রক্রিয়ার অগ্রগতি এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করবে দুই তারকার মাঠে ফেরার সম্ভাবনা।

আপনার মতামত লিখুন