জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে। উপস্থিত ছিলেন উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।
দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির একটি। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি আবারও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। নতুন সরকারের পক্ষ থেকে এটি ছিল সম্মিলিতভাবে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর প্রতীকী আয়োজন।
এ সময় আওয়ামী, বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তি। তিনি জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মরণে সাভারে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ স্বাধীনতার চেতনার অন্যতম প্রতীক। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও দায়িত্ব গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীগণ এখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকেন।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাতীয় স্মৃতিসৌধে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীরদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধ-এ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করার পর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে। উপস্থিত ছিলেন উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা।
দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি ছিল প্রধানমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির একটি। পরবর্তীতে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি আবারও স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। নতুন সরকারের পক্ষ থেকে এটি ছিল সম্মিলিতভাবে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর প্রতীকী আয়োজন।
এ সময় আওয়ামী, বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও শহীদদের আত্মত্যাগ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তি। তিনি জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের স্মরণে সাভারে নির্মিত জাতীয় স্মৃতিসৌধ স্বাধীনতার চেতনার অন্যতম প্রতীক। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ দিবস ও দায়িত্ব গ্রহণের পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীগণ এখানে শ্রদ্ধা নিবেদন করে থাকেন।

আপনার মতামত লিখুন