নতুন সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তাঁর উপদেষ্টা পরিষদে ১০ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন। এ তালিকায় রয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ এবং দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমে সহায়তা ও নীতিনির্ধারণে পরামর্শ দেওয়ার জন্য এসব উপদেষ্টাকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনিক ও নীতিগত কর্মকৌশল বাস্তবায়নে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার অংশ হিসেবেই এ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন খাত—রাজনীতি, প্রশাসন, অর্থনীতি ও কূটনীতি—সংক্রান্ত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবেন তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতৃত্বকে উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত করা সরকারের জন্য নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় ভারসাম্য রক্ষা ও দলীয় সমন্বয় জোরদারে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি শপথ গ্রহণের মাধ্যমে নতুন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদ গঠন সেই প্রক্রিয়ারই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নতুন সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তাঁর উপদেষ্টা পরিষদে ১০ জনকে নিয়োগ দিয়েছেন। এ তালিকায় রয়েছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ এবং দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
মঙ্গলবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগের তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রমে সহায়তা ও নীতিনির্ধারণে পরামর্শ দেওয়ার জন্য এসব উপদেষ্টাকে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রশাসনিক ও নীতিগত কর্মকৌশল বাস্তবায়নে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সম্পৃক্ত করার অংশ হিসেবেই এ উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন খাত—রাজনীতি, প্রশাসন, অর্থনীতি ও কূটনীতি—সংক্রান্ত বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ দেওয়ার দায়িত্ব পালন করবেন তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতৃত্বকে উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত করা সরকারের জন্য নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় ভারসাম্য রক্ষা ও দলীয় সমন্বয় জোরদারে সহায়ক হতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি শপথ গ্রহণের মাধ্যমে নতুন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিষদ গঠন সেই প্রক্রিয়ারই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন