ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও তৎসঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোট (Referendum)-এ দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সকালেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
আজ সকাল ১০টায় রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে তিনি দুই ধাপের ভোটে অংশ নেন — একদিকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন, অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট-এ। ভোটগ্রহণ সকাল ৭:৩০টা থেকে বিকাল ৪:৩০টা পর্যন্ত ।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভোটের আগে দেশবাসীকে মনে রাখার মতো একটি বার্তা দিয়েছেন: ভোটের এই দিনটি শুধু একটি নির্বাচন নয়, “বাংলার ভবিষ্যৎ গড়ার এক নতুন অধ্যায়ের শুরু। আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে এবং সচেতন চরিত্রে ভোট দিতে হবে।” তাঁর এই আহ্বান ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে উৎসাহিত করেছিল।
এ নির্বাচন বাংলাদেশে একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে প্রায় ১ কোটি ২৭ লাখেরও বেশি ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন, যেখানে বিশেষত তরুণ ও প্রথমবারের ভোটারদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।
উল্লেখযোগ্য, এই নির্বাচনটি হচ্ছে দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক, কারণ এটি ২০২৪ সালের ব্যাপক গণআন্দোলন ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রথম সাধারণ নির্বাচন। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরাও নির্বাচনে উপস্থিত রয়েছে।
ড. ইউনূস গত কয়েক দিনে বারবার জনগণকে ভোটে অংশগ্রহণ ও গণভোটে সচেতন ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন এবং নির্বাচনকে “শঙ্কামুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য” করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যাতে জনগণের ইচ্ছা সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও তৎসঙ্গে অনুষ্ঠিত গণভোট (Referendum)-এ দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সকালেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
আজ সকাল ১০টায় রাজধানীর গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে তিনি দুই ধাপের ভোটে অংশ নেন — একদিকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন, অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদের ওপর গণভোট-এ। ভোটগ্রহণ সকাল ৭:৩০টা থেকে বিকাল ৪:৩০টা পর্যন্ত ।
প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভোটের আগে দেশবাসীকে মনে রাখার মতো একটি বার্তা দিয়েছেন: ভোটের এই দিনটি শুধু একটি নির্বাচন নয়, “বাংলার ভবিষ্যৎ গড়ার এক নতুন অধ্যায়ের শুরু। আমাদের সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে এবং সচেতন চরিত্রে ভোট দিতে হবে।” তাঁর এই আহ্বান ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বাড়াতে উৎসাহিত করেছিল।
এ নির্বাচন বাংলাদেশে একটি নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে প্রায় ১ কোটি ২৭ লাখেরও বেশি ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন, যেখানে বিশেষত তরুণ ও প্রথমবারের ভোটারদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য।
উল্লেখযোগ্য, এই নির্বাচনটি হচ্ছে দেশটির রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক, কারণ এটি ২০২৪ সালের ব্যাপক গণআন্দোলন ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর প্রথম সাধারণ নির্বাচন। দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরাও নির্বাচনে উপস্থিত রয়েছে।
ড. ইউনূস গত কয়েক দিনে বারবার জনগণকে ভোটে অংশগ্রহণ ও গণভোটে সচেতন ভোট দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন এবং নির্বাচনকে “শঙ্কামুক্ত ও বিশ্বাসযোগ্য” করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যাতে জনগণের ইচ্ছা সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন