ডি এস কে টিভি চ্যানেল
আপডেট : বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঝালকাঠি  জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে শীর্ষ আলোচনায়  মোঃ তৌহিদ হোসেন।

ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদে শীর্ষ আলোচনায় মোঃ তৌহিদ হোসেন।

ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে সভাপতি পদে আলোচনায় বারবার কারা নির্যাতিত ছাত্রনেতা মোঃ তৌহিদ হোসেন।

ঝালকাঠি জেলা ছাত্রদলের কমিটিতে সভাপতি পদে আলোচনায় বারবার কারা নির্যাতিত ছাত্রনেতা মোঃ তৌহিদ হোসেন।

গণভোট নিয়ে ‘নয়ছয় নয়’ বলে সরকারকে হুঁশি'য়ারি জবি ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থীর

গণভোট নিয়ে ‘নয়ছয় নয়’ বলে সরকারকে হুঁশি'য়ারি জবি ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থীর

কোটি টাকা খরচে নির্বাচনী লড়াই, অসুস্থতা কাটিয়ে ফিরলেন হুমায়ুন কবির চৌধুরী

কোটি টাকা খরচে নির্বাচনী লড়াই, অসুস্থতা কাটিয়ে ফিরলেন হুমায়ুন কবির চৌধুরী

অনেক বৈষম্যের শিকার হয়েছি আর নয়, এখন ভাগেরটা বুঝে নেওয়ার সময় এসেছে

অনেক বৈষম্যের শিকার হয়েছি আর নয়, এখন ভাগেরটা বুঝে নেওয়ার সময় এসেছে

ববি হাজ্জাজের আসনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন মামুনুল হক

ববি হাজ্জাজের আসনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন মামুনুল হক

চেয়ারম্যান প্রার্থীর পোস্টারে শেখ মুজিব, জিয়াউর রহমান ও তারেক

চেয়ারম্যান প্রার্থীর পোস্টারে শেখ মুজিব, জিয়াউর রহমান ও তারেক

জামায়াতকে ৫০টির বেশি আসনে হারানো: গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ

জামায়াতকে ৫০টির বেশি আসনে হারানো: গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ

নির্বাচনের আগে জনমনে হিসাব-নিকাশ

তরুণদের ভোট কারা বেশি পাবে? জামায়াত নাকি ধানের শীষ

তরুণদের ভোট কারা বেশি পাবে?  জামায়াত নাকি ধানের শীষ
ছবি সংগৃহীত

তরুণ ভোট কার ঝুলিতে? জামায়াত নাকি ধানের শীষ

নির্বাচনের আগে জনমনে হিসাব-নিকাশ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নগুলোর একটি—তরুণ ভোটাররা কাদের দিকে ঝুঁকছেন? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে তরুণরাই হতে পারেন ফল নির্ধারণের বড় ফ্যাক্টর। বিশেষ করে প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া নতুন প্রজন্মের ভোটারদের অবস্থান ঘিরে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ধানের শীষ (বিএনপি) ও জামায়াত—দুই পক্ষই তরুণদের আকৃষ্ট করতে সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে বিভিন্ন বেসরকারি জরিপ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণ বলছে—তরুণ ভোটের দৌড়ে আপাতত ধানের শীষ কিছুটা এগিয়ে রয়েছে।

কেন ধানের শীষের দিকে ঝুঁকছে তরুণদের একটি বড় অংশ?

বিশ্লেষকদের মতে, তরুণদের প্রধান ইস্যু এখন কর্মসংস্থান, উচ্চশিক্ষা, বাকস্বাধীনতা ও সুশাসন। বিএনপি তাদের প্রচারণায় এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছে। বিশেষ করে চাকরি সৃষ্টি, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য আনার প্রতিশ্রুতি তরুণদের একটি অংশকে আকৃষ্ট করছে।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির সক্রিয়তা এবং তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার কৌশলও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। শহরাঞ্চল ও বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ভোটারদের মধ্যে ধানের শীষের প্রতি আগ্রহ তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে।

জামায়াতের অবস্থান কী?

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীও তরুণদের টার্গেট করে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছে। নৈতিকতা, সামাজিক শৃঙ্খলা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতির বার্তা দিয়ে তারা একাংশ তরুণ ভোটারকে প্রভাবিত করছে।

বিশেষ করে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত তরুণদের মধ্যে জামায়াতের সমর্থন রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। গ্রামীণ এলাকাতেও তাদের সংগঠনভিত্তিক শক্ত অবস্থান রয়েছে। তবে সামগ্রিক তরুণ ভোটের হিসেবে তারা ধানের শীষের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে—এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে সাম্প্রতিক আলোচনা ও জরিপ বিশ্লেষণ।

সিদ্ধান্তহীন তরুণ ভোটারও কম নয়

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, উল্লেখযোগ্যসংখ্যক তরুণ এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। ভোটের আগের দিন পর্যন্ত তাদের অবস্থান পরিবর্তন হতে পারে। সামাজিক মাধ্যম, বিতর্ক, রাজনৈতিক বক্তব্য কিংবা মাঠের পরিস্থিতি—সবকিছুই প্রভাব ফেলতে পারে শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে।

বিশেষ করে যারা প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন, তারা প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজ, সততা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা দেখে ভোট দেওয়ার প্রবণতা দেখাচ্ছেন। ফলে দলীয় পরিচয়ের চেয়ে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

চূড়ান্ত চিত্র কী বলছে?

সব দিক বিবেচনায় বর্তমান প্রবণতা বলছে—

তরুণ ভোটের বড় অংশ ধানের শীষের দিকে ঝুঁকে আছে।

জামায়াতও একটি নির্দিষ্ট ভোটব্যাংক ধরে রেখেছে এবং কিছু এলাকায় শক্ত অবস্থান রয়েছে।

তবে বিপুলসংখ্যক তরুণ ভোটার এখনো ‘সুইং ভোটার’ হিসেবে রয়ে গেছেন।

অতএব, নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না কে শেষ পর্যন্ত কতটা তরুণ ভোট পাবে। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত প্রচারণা, মাঠের পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক পরিবেশই নির্ধারণ করবে চূড়ান্ত ফল।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬


তরুণদের ভোট কারা বেশি পাবে? জামায়াত নাকি ধানের শীষ

প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

তরুণ ভোট কার ঝুলিতে? জামায়াত নাকি ধানের শীষ

নির্বাচনের আগে জনমনে হিসাব-নিকাশ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নগুলোর একটি—তরুণ ভোটাররা কাদের দিকে ঝুঁকছেন? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের নির্বাচনে তরুণরাই হতে পারেন ফল নির্ধারণের বড় ফ্যাক্টর। বিশেষ করে প্রথমবার ভোট দিতে যাওয়া নতুন প্রজন্মের ভোটারদের অবস্থান ঘিরে চলছে ব্যাপক আলোচনা।

বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ধানের শীষ (বিএনপি) ও জামায়াত—দুই পক্ষই তরুণদের আকৃষ্ট করতে সক্রিয় প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে বিভিন্ন বেসরকারি জরিপ, রাজনৈতিক বিশ্লেষণ এবং মাঠপর্যায়ের পর্যবেক্ষণ বলছে—তরুণ ভোটের দৌড়ে আপাতত ধানের শীষ কিছুটা এগিয়ে রয়েছে।

কেন ধানের শীষের দিকে ঝুঁকছে তরুণদের একটি বড় অংশ?

বিশ্লেষকদের মতে, তরুণদের প্রধান ইস্যু এখন কর্মসংস্থান, উচ্চশিক্ষা, বাকস্বাধীনতা ও সুশাসন। বিএনপি তাদের প্রচারণায় এসব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরছে। বিশেষ করে চাকরি সৃষ্টি, অর্থনৈতিক সংস্কার এবং রাজনৈতিক ভারসাম্য আনার প্রতিশ্রুতি তরুণদের একটি অংশকে আকৃষ্ট করছে।

এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির সক্রিয়তা এবং তরুণ নেতৃত্বকে সামনে আনার কৌশলও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। শহরাঞ্চল ও বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ভোটারদের মধ্যে ধানের শীষের প্রতি আগ্রহ তুলনামূলক বেশি দেখা যাচ্ছে।

জামায়াতের অবস্থান কী?

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীও তরুণদের টার্গেট করে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছে। নৈতিকতা, সামাজিক শৃঙ্খলা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতির বার্তা দিয়ে তারা একাংশ তরুণ ভোটারকে প্রভাবিত করছে।

বিশেষ করে মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও ধর্মীয়ভাবে অনুপ্রাণিত তরুণদের মধ্যে জামায়াতের সমর্থন রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। গ্রামীণ এলাকাতেও তাদের সংগঠনভিত্তিক শক্ত অবস্থান রয়েছে। তবে সামগ্রিক তরুণ ভোটের হিসেবে তারা ধানের শীষের তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে—এমনটাই ইঙ্গিত দিচ্ছে সাম্প্রতিক আলোচনা ও জরিপ বিশ্লেষণ।

সিদ্ধান্তহীন তরুণ ভোটারও কম নয়

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, উল্লেখযোগ্যসংখ্যক তরুণ এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। ভোটের আগের দিন পর্যন্ত তাদের অবস্থান পরিবর্তন হতে পারে। সামাজিক মাধ্যম, বিতর্ক, রাজনৈতিক বক্তব্য কিংবা মাঠের পরিস্থিতি—সবকিছুই প্রভাব ফেলতে পারে শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্তে।

বিশেষ করে যারা প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন, তারা প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজ, সততা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা দেখে ভোট দেওয়ার প্রবণতা দেখাচ্ছেন। ফলে দলীয় পরিচয়ের চেয়ে প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

চূড়ান্ত চিত্র কী বলছে?

সব দিক বিবেচনায় বর্তমান প্রবণতা বলছে—

তরুণ ভোটের বড় অংশ ধানের শীষের দিকে ঝুঁকে আছে।

জামায়াতও একটি নির্দিষ্ট ভোটব্যাংক ধরে রেখেছে এবং কিছু এলাকায় শক্ত অবস্থান রয়েছে।

তবে বিপুলসংখ্যক তরুণ ভোটার এখনো ‘সুইং ভোটার’ হিসেবে রয়ে গেছেন।

অতএব, নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না কে শেষ পর্যন্ত কতটা তরুণ ভোট পাবে। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত প্রচারণা, মাঠের পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক পরিবেশই নির্ধারণ করবে চূড়ান্ত ফল।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল