নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব হলে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি নাহিদ ইসলামের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব হলে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের পরিণতি অতীতের যেকোনো কমিশনের চেয়েও ভয়াবহ হবে।
রোববার এক রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম নির্বাচন কমিশনকে সরাসরি উদ্দেশ করে বলেন,
“এত দিন যা করেছেন, করেছেন। কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারি যদি কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্বের পরিকল্পনা থাকে, তাহলে ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলের নির্বাচন কমিশনের যে পরিণতি হয়েছিল, তার চেয়েও ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হবে এই নির্বাচন কমিশন।”
তিনি দাবি করেন, জনগণ এবার আর কোনো সাজানো নির্বাচন মেনে নেবে না। নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা ছাড়া বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ভোটের দিন প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ যদি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক শক্তিকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে জনগণ রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,
“আপনারা সংবিধানের শপথ নিয়েছেন। সেই শপথ ভঙ্গ করলে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না।”
এদিকে নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে বিভিন্ন দল ও নাগরিক সমাজের উদ্বেগের মধ্যেই এ ধরনের কঠোর বক্তব্য এল।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভোটের পরিবেশ স্বচ্ছ রাখতে নির্বাচন কমিশনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নির্বাচনে পক্ষপাতিত্ব হলে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি নাহিদ ইসলামের
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, নির্বাচনে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব হলে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের পরিণতি অতীতের যেকোনো কমিশনের চেয়েও ভয়াবহ হবে।
রোববার এক রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম নির্বাচন কমিশনকে সরাসরি উদ্দেশ করে বলেন,
“এত দিন যা করেছেন, করেছেন। কিন্তু ১২ ফেব্রুয়ারি যদি কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্বের পরিকল্পনা থাকে, তাহলে ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলের নির্বাচন কমিশনের যে পরিণতি হয়েছিল, তার চেয়েও ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হবে এই নির্বাচন কমিশন।”
তিনি দাবি করেন, জনগণ এবার আর কোনো সাজানো নির্বাচন মেনে নেবে না। নির্বাচন কমিশনের ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করা ছাড়া বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ভোটের দিন প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ যদি কোনো বিশেষ রাজনৈতিক শক্তিকে সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে জনগণ রাজপথে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন,
“আপনারা সংবিধানের শপথ নিয়েছেন। সেই শপথ ভঙ্গ করলে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না।”
এদিকে নাহিদ ইসলামের এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে বিভিন্ন দল ও নাগরিক সমাজের উদ্বেগের মধ্যেই এ ধরনের কঠোর বক্তব্য এল।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও ভোটের পরিবেশ স্বচ্ছ রাখতে নির্বাচন কমিশনের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত লিখুন