জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যে সরকার গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করলেন তারেক রহমান
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐকমত্যভিত্তিক সরকার গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করেছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনের পর বিএনপি এককভাবেই সরকার গঠনের সক্ষমতা রাখে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে দলীয় সূত্র জানায়, তারেক রহমান মনে করেন—দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, জনসমর্থন এবং অতীত নির্বাচনী অভিজ্ঞতা বিবেচনায় বিএনপি আলাদাভাবে সরকার গঠন করতে পারবে। এ কারণে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সরকার গঠনের বিষয়ে কোনো সমঝোতার প্রয়োজন নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার দাবি, দলটি দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। তাদের মতে, জনগণের প্রত্যক্ষ রায়ে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করাই দলের মূল লক্ষ্য।
তবে বিএনপি জামায়াতসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন বা ইস্যুভিত্তিক সহযোগিতার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে বাতিল করছে না বলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি বিএনপির একটি কৌশলগত অবস্থান—যার মাধ্যমে দলটি সরকার গঠনের প্রশ্নে নিজেদের স্বতন্ত্রতা এবং শক্ত অবস্থান তুলে ধরতে চাইছে।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে, বিশেষ করে নির্বাচন-পরবর্তী জোট রাজনীতির সম্ভাবনা ঘিরে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে। সরকার গঠনের প্রশ্নে বিএনপির এই বক্তব্য তাদের নির্বাচনী কৌশল ও জনসমর্থনের ওপর আস্থারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াতের সঙ্গে ঐক্যে সরকার গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করলেন তারেক রহমান
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে ঐকমত্যভিত্তিক সরকার গঠনের সম্ভাবনা নাকচ করেছে। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনের পর বিএনপি এককভাবেই সরকার গঠনের সক্ষমতা রাখে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে দলীয় সূত্র জানায়, তারেক রহমান মনে করেন—দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, জনসমর্থন এবং অতীত নির্বাচনী অভিজ্ঞতা বিবেচনায় বিএনপি আলাদাভাবে সরকার গঠন করতে পারবে। এ কারণে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সরকার গঠনের বিষয়ে কোনো সমঝোতার প্রয়োজন নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার দাবি, দলটি দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। তাদের মতে, জনগণের প্রত্যক্ষ রায়ে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করাই দলের মূল লক্ষ্য।
তবে বিএনপি জামায়াতসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন বা ইস্যুভিত্তিক সহযোগিতার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে বাতিল করছে না বলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি বিএনপির একটি কৌশলগত অবস্থান—যার মাধ্যমে দলটি সরকার গঠনের প্রশ্নে নিজেদের স্বতন্ত্রতা এবং শক্ত অবস্থান তুলে ধরতে চাইছে।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে, বিশেষ করে নির্বাচন-পরবর্তী জোট রাজনীতির সম্ভাবনা ঘিরে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে, ততই রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে। সরকার গঠনের প্রশ্নে বিএনপির এই বক্তব্য তাদের নির্বাচনী কৌশল ও জনসমর্থনের ওপর আস্থারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন