খুলনায় জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা
খুলনা: কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা-র বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের খুলনা মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি।
বাদীর অভিযোগে বলা হয়েছে, আমির হামজা সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর নাম ব্যবহার করে কটূক্তি ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্যগুলো জনসম্মুখে ছড়িয়ে পড়ায় মরহুম কোকো এবং তার পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
মামলাটি বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দায়ের করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছেন এবং প্রথম শুনানি ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ নির্ধারণ করেছেন। মামলার পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে, মামলার বিষয়ে আমির হামজার পক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে এমন ঘটনা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
এই মামলাটি কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবও ফেলতে পারে, যা আগামী নির্বাচনকে প্রভাবিত করার সম্ভাবনা রাখে।

বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
খুলনায় জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা
খুলনা: কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা-র বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি করেছেন আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের খুলনা মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি।
বাদীর অভিযোগে বলা হয়েছে, আমির হামজা সম্প্রতি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর নাম ব্যবহার করে কটূক্তি ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। এই মন্তব্যগুলো জনসম্মুখে ছড়িয়ে পড়ায় মরহুম কোকো এবং তার পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
মামলাটি বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দায়ের করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি গ্রহণ করেছেন এবং প্রথম শুনানি ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ নির্ধারণ করেছেন। মামলার পক্ষে অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ দায়িত্ব পালন করছেন।
এদিকে, মামলার বিষয়ে আমির হামজার পক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি। স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগে এমন ঘটনা রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
এই মামলাটি কেবল ব্যক্তিগত নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রভাবও ফেলতে পারে, যা আগামী নির্বাচনকে প্রভাবিত করার সম্ভাবনা রাখে।

আপনার মতামত লিখুন