কুড়িগ্রামের ফেলানীর ছোট ভাই আরফান হোসেন বিজিবিতে যোগ দিলেন
কুড়িগ্রামের সীমান্তে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী BSF–র গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হওয়া কিশোরী ফেলানি খাতুন–এর ছোট ভাই আরফান হোসেন এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB)–এর সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
???? আরফান হোসেন, বয়স ২১, বিজিবি–১৫ ব্যাটালিয়নের অধীনে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন। তিনি ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫ তারিখে বিজিবি কর্তৃক আয়োজিত নিয়োগ পরীক্ষায় সফল হন।
???? নিয়োগপত্র গ্রহণের পর আরফান তৎক্ষণাত বিজিবির প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিজিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিনি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে দেশকে সেবা করবে।
???? আরফান জানান, তিনি সেই সীমান্তেই পাহারাদারি করতে চান, যেখানে তার বোন ফেলানীর জীবনের মর্মান্তিক শেষ হয়েছিল। শিশু বয়সে ফেলানীর মৃত্যুর দৃশ্য তার চোখের সামনে ছিল বলে তিনি জানান এবং তিনি দেশের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত।
???? ফেলানী খাতুন ছিল ১৫ বছর বয়সী কিশোরী। ২০১১ সালে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি নিহত হন এবং তার দেহ দীর্ঘসময় ঝুলন্তভাবেই থাকায় ঘটনাটি দেশ–বিদেশে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনা সৃষ্টি করেছিল।
???? স্মরণীয়: ফেলানীর নির্মম মৃত্যুর বিচার এখনও ভারতের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং তার পরিবার আজও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে।

রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
কুড়িগ্রামের ফেলানীর ছোট ভাই আরফান হোসেন বিজিবিতে যোগ দিলেন
কুড়িগ্রামের সীমান্তে ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী BSF–র গুলিতে নির্মমভাবে নিহত হওয়া কিশোরী ফেলানি খাতুন–এর ছোট ভাই আরফান হোসেন এখন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB)–এর সদস্য হিসেবে যোগ দিয়েছেন।
???? আরফান হোসেন, বয়স ২১, বিজিবি–১৫ ব্যাটালিয়নের অধীনে গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন। তিনি ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৫ তারিখে বিজিবি কর্তৃক আয়োজিত নিয়োগ পরীক্ষায় সফল হন।
???? নিয়োগপত্র গ্রহণের পর আরফান তৎক্ষণাত বিজিবির প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিজিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তিনি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে দেশকে সেবা করবে।
???? আরফান জানান, তিনি সেই সীমান্তেই পাহারাদারি করতে চান, যেখানে তার বোন ফেলানীর জীবনের মর্মান্তিক শেষ হয়েছিল। শিশু বয়সে ফেলানীর মৃত্যুর দৃশ্য তার চোখের সামনে ছিল বলে তিনি জানান এবং তিনি দেশের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত।
???? ফেলানী খাতুন ছিল ১৫ বছর বয়সী কিশোরী। ২০১১ সালে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি নিহত হন এবং তার দেহ দীর্ঘসময় ঝুলন্তভাবেই থাকায় ঘটনাটি দেশ–বিদেশে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনা সৃষ্টি করেছিল।
???? স্মরণীয়: ফেলানীর নির্মম মৃত্যুর বিচার এখনও ভারতের আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং তার পরিবার আজও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন