ডি এস কে টিভি চ্যানেল

যুদ্ধবিরতিতে নীরবতা, নিজের দেশেই ক্ষোভে পড়লেন নেতানিয়াহু

যু'দ্ধবিরতিতে চুপ থাকায় নিজের দেশেই ক্ষো'ভের মুখে নেতানি'য়াহু

যু'দ্ধবিরতিতে চুপ থাকায় নিজের দেশেই ক্ষো'ভের মুখে নেতানি'য়াহু

যুদ্ধবিরতিতে নীরবতা, নিজের দেশেই ক্ষোভে পড়লেন নেতানিয়াহু 

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে রহস্যজনক নীরবতায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu। বিষয়টি ঘিরে দেশটির অভ্যন্তরে প্রশ্ন উঠছে—এই গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে কেন সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে না।

বুধবার (৮ এপ্রিল) তেহরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা Tasnim News Agency এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসরায়েলের টেলিভিশন মাধ্যম Channel 12–এর সামরিক প্রতিবেদক Nitzan Shapira সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে এই নীরবতার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মতো দুই বড় পক্ষ যখন যুদ্ধবিরতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে, তখন ইসরায়েল সরকারের কোনো অবস্থান না জানানো অস্বাভাবিক এবং উদ্বেগজনক।

শাপিরার মতে, এই পরিস্থিতি শুধু কূটনৈতিক দিক থেকে নয়, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক রাজনীতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার সঙ্গে ইসরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থ সরাসরি জড়িত। ফলে সরকারের অবস্থান জানা নাগরিকদের জন্য জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলছেন, ইসরায়েলের নীরবতা কৌশলগত হতে পারে, তবে এতে অভ্যন্তরীণ অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে। বিরোধী মহল ও গণমাধ্যমের একটি অংশ মনে করছে, সরকারের এই অবস্থান স্পষ্ট না হওয়ায় নীতিগত বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং জনগণের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যখন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, তখন ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলও। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমতে পারে, কিন্তু ইসরায়েলের অবস্থান কী—তা এখনো স্পষ্ট নয়। এই নীরবতা কতদিন স্থায়ী হয় এবং সরকার শেষ পর্যন্ত কী প্রতিক্রিয়া দেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
ডি এস কে টিভি চ্যানেল

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬


যু'দ্ধবিরতিতে চুপ থাকায় নিজের দেশেই ক্ষো'ভের মুখে নেতানি'য়াহু

প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

যুদ্ধবিরতিতে নীরবতা, নিজের দেশেই ক্ষোভে পড়লেন নেতানিয়াহু 

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি নিয়ে রহস্যজনক নীরবতায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu। বিষয়টি ঘিরে দেশটির অভ্যন্তরে প্রশ্ন উঠছে—এই গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক পরিস্থিতিতে কেন সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে না।

বুধবার (৮ এপ্রিল) তেহরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা Tasnim News Agency এক প্রতিবেদনে জানায়, ইসরায়েলের টেলিভিশন মাধ্যম Channel 12–এর সামরিক প্রতিবেদক Nitzan Shapira সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে এই নীরবতার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মতো দুই বড় পক্ষ যখন যুদ্ধবিরতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে, তখন ইসরায়েল সরকারের কোনো অবস্থান না জানানো অস্বাভাবিক এবং উদ্বেগজনক।

শাপিরার মতে, এই পরিস্থিতি শুধু কূটনৈতিক দিক থেকে নয়, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক রাজনীতির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার সঙ্গে ইসরায়েলের নিরাপত্তা স্বার্থ সরাসরি জড়িত। ফলে সরকারের অবস্থান জানা নাগরিকদের জন্য জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলছেন, ইসরায়েলের নীরবতা কৌশলগত হতে পারে, তবে এতে অভ্যন্তরীণ অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে। বিরোধী মহল ও গণমাধ্যমের একটি অংশ মনে করছে, সরকারের এই অবস্থান স্পষ্ট না হওয়ায় নীতিগত বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং জনগণের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি যখন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, তখন ইসরায়েলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলও। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমতে পারে, কিন্তু ইসরায়েলের অবস্থান কী—তা এখনো স্পষ্ট নয়। এই নীরবতা কতদিন স্থায়ী হয় এবং সরকার শেষ পর্যন্ত কী প্রতিক্রিয়া দেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।


ডি এস কে টিভি চ্যানেল

চেয়ারম্যান ও সম্পাদকঃ সামসুল আলম
বার্তা সম্পাদকঃ মোঃ আসআদ

কপিরাইট © ২০২৫ ডি এস কে টিভি চ্যানেল