যুদ্ধবিরতির খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধাক্কা ?মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে তাৎক্ষণিক বড় ধস নেমেছে। ঘোষণার মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই বাজারে তীব্র বিক্রির চাপ তৈরি হয়, ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২ ডলারেরও বেশি কমে যায়। নিউইয়র্ক সময় মঙ্গলবার রাতে মে মাসে সরবরাহের জন্য ডব্লিউটিআই তেলের দাম ১২ দশমিক ৪ ডলার বা প্রায় ১০
দশমিক ৬৬ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ১০০ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে আসে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা দ্রুত লাভ তুলে নিতে শুরু করেন, যার ফলে তেলের বাজারে হঠাৎ বড় পতন দেখা যায়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সংঘাতের আশঙ্কায় তেলের দাম দ্রুত বাড়ছিল, তাই যুদ্ধবিরতির খবর বাজারে স্বস্তি এনে দেয় এবং ঝুঁকি প্রিমিয়াম কমে যায়। বাজার পর্যবেক্ষকদের ধারণা, যদি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকে এবং উত্তেজনা না বাড়ে, তবে তেলের দামে আরও সংশোধন দেখা যেতে পারে; তবে পরিস্থিতি আবার অস্থিতিশীল হলে দাম দ্রুতই উল্টো দিকেও যেতে পারে। এই হঠাৎ পতনের প্রভাব শেয়ারবাজার, পরিবহন খরচ এবং বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির ওপরও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, কারণ তেলের দাম কমলে সাধারণত জ্বালানি নির্ভর খাতগুলোতে কিছুটা স্বস্তি আসে।
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
যুদ্ধবিরতির খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় ধাক্কা ?মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে তাৎক্ষণিক বড় ধস নেমেছে। ঘোষণার মাত্র ১৫ মিনিটের মধ্যেই বাজারে তীব্র বিক্রির চাপ তৈরি হয়, ফলে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২ ডলারেরও বেশি কমে যায়। নিউইয়র্ক সময় মঙ্গলবার রাতে মে মাসে সরবরাহের জন্য ডব্লিউটিআই তেলের দাম ১২ দশমিক ৪ ডলার বা প্রায় ১০ দশমিক ৬৬ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ১০০ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে আসে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতির ঘোষণায় মধ্যপ্রাচ্যে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা কমে যাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা দ্রুত লাভ তুলে নিতে শুরু করেন, যার ফলে তেলের বাজারে হঠাৎ বড় পতন দেখা যায়। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সংঘাতের আশঙ্কায় তেলের দাম দ্রুত বাড়ছিল, তাই যুদ্ধবিরতির খবর বাজারে স্বস্তি এনে দেয় এবং ঝুঁকি প্রিমিয়াম কমে যায়। বাজার পর্যবেক্ষকদের ধারণা, যদি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকে এবং উত্তেজনা না বাড়ে, তবে তেলের দামে আরও সংশোধন দেখা যেতে পারে; তবে পরিস্থিতি আবার অস্থিতিশীল হলে দাম দ্রুতই উল্টো দিকেও যেতে পারে। এই হঠাৎ পতনের প্রভাব শেয়ারবাজার, পরিবহন খরচ এবং বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতির ওপরও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, কারণ তেলের দাম কমলে সাধারণত জ্বালানি নির্ভর খাতগুলোতে কিছুটা স্বস্তি আসে।

আপনার মতামত লিখুন