হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব ঘিরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে চীন ও রাশিয়ার ভেটোর পর কূটনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ইরান। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, প্রস্তাবটি আটকে দেওয়ার মাধ্যমে চীন ও রাশিয়া আন্তর্জাতিক আইনের নীতিকে সমুন্নত রেখেছে এবং একটি “ত্রুটিপূর্ণ খসড়া” পাস হওয়া থেকে বিরত করেছে।
ইরানি মিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, ‘নৌ চলাচলের স্বাধীনতা’ রক্ষার যুক্তি তুলে ধরে যে প্রস্তাব আনা হয়েছিল, তা বাস্তবে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক উপস্থিতি বা পদক্ষেপকে বৈধতা দেওয়ার পথ তৈরি করতে পারত। তেহরানের দাবি, নিরাপত্তা পরিষদকে ব্যবহার করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ানোর চেষ্টা চলছিল, যা চীন ও রাশিয়ার ভেটোর মাধ্যমে প্রতিহত হয়েছে।
ইরান আরও বলেছে, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের প্রশ্নে একতরফা সিদ্ধান্তের বদলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া উচিত। তাদের মতে, এই ভেটো দেখিয়ে দিয়েছে যে বড় শক্তিগুলোর মধ্যে এখনও এমন দেশ রয়েছে যারা কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিকে অগ্রাধিকার দিতে চায়। ⚖️
ঘটনাটি এমন এক সময় সামনে এলো, যখন হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে এই প্রণালি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সবসময়ই সংবেদনশীল, আর সেই কারণে নিরাপত্তা পরিষদের এই ভোটাভুটি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব ঘিরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে চীন ও রাশিয়ার ভেটোর পর কূটনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ইরান। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, প্রস্তাবটি আটকে দেওয়ার মাধ্যমে চীন ও রাশিয়া আন্তর্জাতিক আইনের নীতিকে সমুন্নত রেখেছে এবং একটি “ত্রুটিপূর্ণ খসড়া” পাস হওয়া থেকে বিরত করেছে।
ইরানি মিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, ‘নৌ চলাচলের স্বাধীনতা’ রক্ষার যুক্তি তুলে ধরে যে প্রস্তাব আনা হয়েছিল, তা বাস্তবে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক উপস্থিতি বা পদক্ষেপকে বৈধতা দেওয়ার পথ তৈরি করতে পারত। তেহরানের দাবি, নিরাপত্তা পরিষদকে ব্যবহার করে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ানোর চেষ্টা চলছিল, যা চীন ও রাশিয়ার ভেটোর মাধ্যমে প্রতিহত হয়েছে।
ইরান আরও বলেছে, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও নৌ চলাচলের প্রশ্নে একতরফা সিদ্ধান্তের বদলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া উচিত। তাদের মতে, এই ভেটো দেখিয়ে দিয়েছে যে বড় শক্তিগুলোর মধ্যে এখনও এমন দেশ রয়েছে যারা কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিকে অগ্রাধিকার দিতে চায়। ⚖️
ঘটনাটি এমন এক সময় সামনে এলো, যখন হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে এই প্রণালি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সবসময়ই সংবেদনশীল, আর সেই কারণে নিরাপত্তা পরিষদের এই ভোটাভুটি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন