মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এখন শ্রমবাজারেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ফিলিপাইন থেকে বিদেশে কাজের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে প্রস্তুত থাকা অন্তত ৪০ হাজারের বেশি কর্মী এখনও দেশ ছাড়তে পারছেন না। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera ফিলিপাইনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানিয়েছে, বিশেষ করে ইসরায়েল, লেবানন এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পরিকল্পনা করা এই শ্রমিকদের যাত্রা অনিশ্চয়তায় পড়েছে। ✈️
মূল সমস্যা তৈরি হয়েছে ফ্লাইট সংকটকে কেন্দ্র করে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় অনেক এয়ারলাইন তাদের ফ্লাইট কমিয়ে দিয়েছে বা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। ফলে কর্মীদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিদেশে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না, আর এতে নিয়োগ প্রক্রিয়াও বিলম্বিত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে চাকরি নিশ্চিত হলেও যাত্রা পিছিয়ে যাওয়ায় কর্মীরা আর্থিক ও মানসিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
প্রতিবেদনে এক অভিবাসন বিশেষজ্ঞের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে ২০২৬ সালের দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মী পাঠানোর হার আরও কমে যেতে পারে। এতে শুধু কর্মীদের নয়, বিদেশি শ্রমবাজারের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সংখ্যা স্বাভাবিক হবে না, আর সেটিই শ্রমিক প্রেরণের বড় বাধা হয়ে থাকবে।
এদিকে অনেক ফিলিপিনো কর্মী ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করে অপেক্ষায় থাকলেও তাদের যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। নিয়োগদাতাদের পক্ষ থেকেও নতুন করে সময় নির্ধারণ করা হচ্ছে, যা পুরো প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত শুধু রাজনৈতিক বা সামরিক পর্যায়েই নয়, বৈশ্বিক শ্রমবাজার ও অভিবাসন ব্যবস্থার ওপরও বাস্তব প্রভাব ফেলছে।

বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এখন শ্রমবাজারেও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ফিলিপাইন থেকে বিদেশে কাজের উদ্দেশ্যে যাত্রা করতে প্রস্তুত থাকা অন্তত ৪০ হাজারের বেশি কর্মী এখনও দেশ ছাড়তে পারছেন না। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera ফিলিপাইনের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানিয়েছে, বিশেষ করে ইসরায়েল, লেবানন এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে যাওয়ার পরিকল্পনা করা এই শ্রমিকদের যাত্রা অনিশ্চয়তায় পড়েছে। ✈️
মূল সমস্যা তৈরি হয়েছে ফ্লাইট সংকটকে কেন্দ্র করে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় অনেক এয়ারলাইন তাদের ফ্লাইট কমিয়ে দিয়েছে বা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে। ফলে কর্মীদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী বিদেশে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না, আর এতে নিয়োগ প্রক্রিয়াও বিলম্বিত হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে চাকরি নিশ্চিত হলেও যাত্রা পিছিয়ে যাওয়ায় কর্মীরা আর্থিক ও মানসিক অনিশ্চয়তায় পড়েছেন।
প্রতিবেদনে এক অভিবাসন বিশেষজ্ঞের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক না হলে ২০২৬ সালের দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকে মধ্যপ্রাচ্যে কর্মী পাঠানোর হার আরও কমে যেতে পারে। এতে শুধু কর্মীদের নয়, বিদেশি শ্রমবাজারের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলোর অর্থনীতিতেও প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট সংখ্যা স্বাভাবিক হবে না, আর সেটিই শ্রমিক প্রেরণের বড় বাধা হয়ে থাকবে।
এদিকে অনেক ফিলিপিনো কর্মী ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ শেষ করে অপেক্ষায় থাকলেও তাদের যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। নিয়োগদাতাদের পক্ষ থেকেও নতুন করে সময় নির্ধারণ করা হচ্ছে, যা পুরো প্রক্রিয়াকে দীর্ঘায়িত করছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত শুধু রাজনৈতিক বা সামরিক পর্যায়েই নয়, বৈশ্বিক শ্রমবাজার ও অভিবাসন ব্যবস্থার ওপরও বাস্তব প্রভাব ফেলছে।

আপনার মতামত লিখুন